ধারা বদলালেও বিক্রমের গ্রেফতারি কি সম্ভব? কী বলছেন আইনজীবীরা
অবশেষে সনিকা মৃত্যুকাণ্ডে বিক্রমের বিরুদ্ধে বদলে গিয়েছে ধারা। গাফিলতি জেরে দুর্ঘটনা বদলে গিয়েছে অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারায়। তিনি কি গ্রেফতার হবেন? কী যুক্তি খাঁড়া করছেন তাঁর আইনজীবীরা?
সনিকা মৃত্যকাণ্ডে আরও বিপাকে অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যে মামলার ধারা পরিবর্তন করেছে। যুক্ত হয়েছে অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারা। ফলে বেড়েছে বিক্রমের গ্রেফতারির সম্ভাবনা।
কিন্তু কী বলছেন বিক্রমের আইনজীবীরা? কী তাঁদের যুক্তি? আইনজীবীদের যুক্তি, সনিকা মৃত্যু মামলায় বিক্রমের বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য ধারা যুক্ত হলেও আগে তাঁর জামিন খারিজের জন্য পুলিশকে আদালতে আবেদন করতে হবে। সেইমতো আদালত আবেদন গ্রহণ করলে মামলার শুনানির দিন ধার্য এবং সেই শুনানিতে দু'পক্ষের আইনজীবীর সওয়াল জবাবের পর আদালত মনে করলে বিক্রমকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারে।

সেক্ষেত্রে অনেক সময় পাবেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। আইনজীবীদের কথায়, এমনও হতে পারে বিক্রমকে বিচারক গ্রেফতারের নির্দেশ না দিয়ে কঠিন শর্তে জামিন দিলেন। সেই সম্ভাবনাও সমানভাবে রয়েছে। কিন্তু বিক্রমের হয়ে আদালতে কী যুক্তি খাঁড়া করবেন তাঁর আইনজীবীরা?
বিক্রমের আইনজীবীদের যুক্তি হতে পারে, বিক্রম চট্টোপাধ্যায় বরাবর তদন্তে সাহায্য করে এসেছেন। এখনও তিনি সাহায্য করছেন, করবেনও। তাঁর কাছ থেকে নতুন করে কিছু উদ্ধারেরও প্রয়োজন নেই। তাই তাঁকে জামিন দেওয়া হোক। তিনি কোনও শর্তই লঙ্ঘন করবেন না।
তবে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি আইনজীবীরাও গ্রেফতারের যুক্তি খাড়া করতে প্রস্তুত। তাঁরা সওয়াল করতে পারেন, সনিকা মৃত্যুকাণ্ডে বিক্রমের বিরুদ্ধেই সমস্ত তথ্য-প্রমাণ। সেজন্যই তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে ৩০৪ ধারা যুক্ত হয়েছে। ফলে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই বিক্রম নানা বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলেছেন। প্রথম থেকেই তিনি তদন্তকারীদের অন্য পথে চালনা করতেও চেয়েছেন। তা তিনি কেন করলেন, তা জানতেই তাঁকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নিয়ে জেরার আবেদন জানাবেন সরকারি আইনজীবীরা।
ফলে একটা কথা বলাই যায়, বিক্রমকে গ্রেফতার করা হোক বা না হোক, তার আগে দীর্ঘ সময় পাবেন তিনি। আদালতে সওয়াল জবাবের পরই গ্রেফতার করা হতে পারে তাঁকে।












Click it and Unblock the Notifications