অভিষেককে হারিয়েই দিল্লি যাবেন, চ্যালেঞ্জ নওশাদ সিদ্দিকীর
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েই দিল্লি যাবেন নওশাদ সিদ্দিকী? এই ইচ্ছাকে এবার খোলামেলা জানিয়ে দিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী? কয়েক সপ্তাহ ধরেই জল্পনা চলছে রাজ্য রাজনীতিতে। এবার সেই জল্পনাকে কিছুটা আরও উসকে দিলেন নওশাদ।
বর্ধমানের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন আইএসএফ বিধায়ক। সেখানে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে নওশাদ সিদ্দিকীর প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা আছে। এই কথা জানিয়েছেন নওশাদ। শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এই কেন্দ্রে চাইলে যে কেউ প্রার্থী হতে পারেন।

এদিন নওশাদ সিদ্দিকী জানিয়েছেন, ডায়মন্ড হারবারে তার প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে আছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েই তিনি দিল্লি যেতে চান। এই বক্তব্যে রাজনৈতিক জল্পনা আরও অনেকখানি উসকে গেল। তাহলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম নওশাদ সিদ্দিকী লড়াই দেখবে বাংলা?
জানা গিয়েছে, রাজ্যে জোটসঙ্গী সিপিএমের সঙ্গে এই বিষয়ে প্রাথমিক কথা হয়েছে আইএসএফের৷ ওই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী দেন। ওই কেন্দ্রে গতবার সিপিএম প্রার্থী ফুয়াদ হালিম প্রার্থী হয়েছিলেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আইএসএফকে কি এই আসন ছাড়বে সিপিএম?
যদিও এর আগে সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম জানিয়েছেন, মানুষ চাইলে নওশাদ প্রার্থী হবেন। বিজেপিও তার প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট উৎসাহী। একথা হাবেভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছে। এর আগে নওশাদ বলেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডায়মন্ড হারবারে হারিয়ে কালীঘাটে পাঠাব।
৭০ হাজার মানুষকে বার্ধ্যক্যভাতা নিজে দেবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার এই বার্তা দিয়েছেন তিনি। শনিবার পূর্বস্থলীতে একটি রক্তদান শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি কটাক্ষ করেন, ভোটের আগে এই বার্ধক্যভাতা দেওয়ার কথা মনে পড়েছে। এই দিয়ে ভোট পাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। রাজ্য সরকার ভাতা দিতে ব্যর্থ, তাই সাংসদ ভাতা দেবেন। এই কথাও বলতে শোনা গিয়েছে নওশাদকে।
ডায়মন্ড হারবার মডেল সংসদীয় এলাকা। একথা তৃণমূল প্রচার করে। সেই বিষয়ে নওশাদের কটাক্ষ, মডেলের নামে মানুষকে আসলে শোষণ করা হচ্ছে। মানুষ শোষিত হচ্ছে। মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আছে।












Click it and Unblock the Notifications