কেন সিআইডির নজর দুই বিজেপি বিধায়কের দিকে? কী হবে ভবানী ভবনে?
এবার তদন্তের মঞ্চে সিআইডি। বেশ কয়েক মাস চুপচাপ থাকার পরে ফের গা ঝাড়া দিয়েছে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা। দুই বিজেপি বিধায়ককে ডেকেও পাঠানো হয়েছে সিআইডির অফিসে। কল্যাণী এইএমএস হাসপাতালে দুর্নীতির তদন্ত করছে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা।
কিন্তু কয়েক মাস পরে ফের কেন গা ঝাড়া দিল সিআইডি? এর পিছনে কি কোনও রাজনৈতিক কারণ রয়েছে? সেই প্রশ্ন উঠে আসছে। সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুসারে বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা ও বঙ্কিম ঘোষকে তলব করা হয়েছে। কল্যাণী এইএমস হাসপাতালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিজেপির এই দুই বিধায়ককে ডাকা হয়েছে। এমনই তথ্য সামনে আসছে।

আগামী সপ্তাহেই তাদের ডাকা হয়েছে। ভবানী ভবনে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। তাহলে কি সিআইডিও এবার এই তদন্তে গতি বাড়াতে চাইছে? হঠাৎ করে না হলে কেন ডাকা হল এই দুই বিজেপি বিধায়ককে? চলতি বছরেই কল্যাণীর এইএমএস হাসপাতালে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছিল। সিআইডির অফিসাররা একাধিক দলে ভাগ হয়ে তদন্তে নামেন।
তদন্তকারীরা বিধায়কদের বাড়িতে যান তল্লাশির অভিযানের জন্য। তাদেরও জেরা করা হয় দীর্ঘ সময়ের জন্য। পাশাপাশি পরিবারের কয়েক জন সদস্যও জেরার সামনে পড়েছিলেন বলে খবর। তারপর এতগুলো মাস আর কোনও কর্মকাণ্ড এই বিষয়ে নজরে আসেনি।
এই মুহূর্তে রাজ্য রাজনীতিতে শাসক বিরোধী জোর লড়াই চলছে। রাজনৈতিক তাপ ক্রমশ বাড়ছে শহরে। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হয়েছেন। তৃণমূলের চার মন্ত্রী বিধায়ক জেলে। ইডি ও সিবিআই দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাও একইভাবে তদন্তের গতি বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে, তৃণমূল নেত্রী অতি সম্প্রতি বদলার ডাক দিয়েছেন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের মঞ্চ থেকে। তৃণমূলের চারজনকে ধরা হলে বিজেপির আটজনকে ধরা হবে। এই কথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলার পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। তাহলে কি সিআইডির এই ডাক, সেই বক্তব্যেরই প্রভাব? প্রশ্ন উঠেছে।
কলকাতা হাইকোর্ট আগেই জানিয়েছিল এই দুই বিজেপি বিধায়কের উপর কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না সিআইডি। এখন কোন দিকে পরিস্থিতি গড়ায়, তাই দেখার বিষয়।












Click it and Unblock the Notifications