RG Kar Hospital: যার এক ডাকে একাট্টা গোটা বাংলা, রাত দখলের কাণ্ডারী রিমঝিম সিনহা কে জানেন?
ডান নন বামও নন। নেই কোনও সমাজকর্মীর তকমা। নিতান্তই পড়ুয়া সে। আরজি কর না হলে হয়তো কেউ তাঁকে চিনতই না। আরজি করের মৃত চিকিৎসক তরুণীর মতো সেও একজন পড়ুয়াই। সেকারণেই হয়তো এই ঘটনা মিলিয়ে দিয়েছে তাঁদের।
রিমঝিম সিনহা। সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাৎ করে হইহই ফেলে দিয়েছেন তিনি। পরিচয় জানা গেল প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়েক গবেষক ছাত্রী তিনি। সমাজবিদ্যার ছাত্রী তিনি। গৃহশ্রমিক বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছেন। কলকাতা শহরের একটি আবাসনে বাবা-মাকে নিয়েই তাঁর জগৎ। পড়াশোনায় বরাবরই মেধাবি। সাদামাঠা জীবন।

সমাজবিদ্যার ছাত্রী আরজি করের নির্যাতিতা চিকিৎসক তরুণীর সঙ্গে কখন যে একাত্ম হয়ে গিয়েছি্লেন বুঝতেই পারেননি। গত ১০ অগাস্ট রাতে হঠাৎ জেদের বসেই ফেসবুকে পোস্টটা করেছিলেন। প্রথমে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এইট বি-তে রাত জাগার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন রাত জেগে যেন নতুন স্বাধীনতার সূর্য দেখে নারীরা। সেই বার্তা নিয়েই এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন তিনি। রাতারাতি সেটা যে এই পর্যায়ে পৌঁছে ছাবে ভাবতেই পারেননা।
যাদবপুর এইট বি থেকে একে একে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালের সামনে, আকাডেমি চত্ত্বর একে একে বাড়তে থাকে প্রতিবাদের স্থল। এখন গোটা বাংলা এমনকী গোটা দেশ তাতে সামিল হয়েছে। তবে নিজের অবস্থান রীতিমতো স্পষ্ট করে দিয়ে রিমঝিম জানিয়ে দিয়েছেন কোনও রাজনৈতিক পতাকা নিয়ে কেউ সামিল হবেন না। এটা কোনও রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটা মেয়েদের অধিকার লড়াইয়ের মঞ্চ। এখানে মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার লড়াইয়ের বার্তা নিয়ে হাজির হচ্ছি আমরা।
সেলিব্রিটি থেকে আইনজীবী এমনকী গৃহবধূরা পর্যন্ত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সামিল হতে চেয়েছেন। কলকাতা কেন জেলায় জেলায় অলিতে গলিতে আজ রাত জাগবে মেয়েরা। এমনকী মুম্বই-দিল্লি-বেঙ্গালুরুতেও নাকি এই রাত জাগা কর্মসূচিতে যোগ দেবেন অসংখ্য মেয়ে, মহিলা, প্রবীণা-বৃদ্ধা। রিমঝিমের এই কর্মসূচি যে এভাবে ছড়িয়ে পড়বে গোটা দেশে তা সে নিজেও ভাবতে পারেনি।












Click it and Unblock the Notifications