নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে 'কালীঘাটের কাকু'-র বাড়ি কি সত্যিই কালীঘাটে? জেনে নিন সুজয় ভদ্রের বাড়ির ঠিকানা
তাপসের মুখে উঠে আসা কালীঘাটের কাকুর বাড়ির ঠিকানা অবশেষে পাওয়া গিয়েছে
কালীঘাটের কাকু। গতকাল নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এই নতুন নাম প্রকাশ্যে এনেছেন আরেক অভিযুক্ত তাপস মণ্ডল। তারপর থেকেই এক প্রকার কালীঘাটের কাকু বা সুজয় ভদ্রের সন্ধান শুরু হয়েছে। কে এই সুজয় ভদ্র। শাসক দলে তার অবস্থান কোথায়। সত্যিই কি তার বাড়ি কালীঘাটে। অবশেষে সেই কালীঘাটের কাকুর বাড়ির সন্ধান মিলেছে।

নতুন ব্যক্তির নাম
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাপস মণ্ডলকে। সেখানে স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর বেরিয়ে এসে গাড়িতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে বিস্ফোরক দাবি করেছেন তাপস মণ্ডল। তিনি দাবি করেছেন কালীঘাটের কাকু বলে একজন রয়েছে। তার কাছে টাকা যেত। এই কালীঘাটের কাকুর নাম সুজয় ভদ্র। কে এই সুজয় ভদ্র তা তিনি জানেন না বলে দাবি করেছেন। তবে তাপস মণ্ডলের মুখে নতুন নাম ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে।

পার্থর সঙ্গে কি সরাসরি যোগ
কালীঘাটের কাকুর বাড়ির আসল ঠিকানা প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে তাহলে কি নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থর সঙ্গে হাত মিলিয়েই কাজ করতেন এই সুজয় ভদ্র। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কেন্দ্রেই তার বাড়ি। আবার শাসক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছে তাপস মণ্ডল। কাজেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি যোগ উড়িয়ে দিতে পারছেন না তদন্তকারীরা। আজ সম্ভবত এই নিয়ে তাপস মণ্ডলকে ফের জেরা করা হতে পারে। কালীঘাটের কাকুর সঙ্গে কীভাবে টাকার লেনদেন হত তা জানার চেষ্টা করতে পারে সিবিআই এমনই মনে করা হচ্ছে।

নিয়োগ কাণ্ডে নতুন নাম
নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গতকাল নতুন নাম ফাঁস করেছে তাপ স মণ্ডল। এসএসকেএম থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে বেরোনোর সময় তাপস মণ্ডল দাবি করেন কুন্তলের টাকা যেত কালীঘাটের কাকুর কাছে। কালীঘাটের কাকু কে প্রশ্ন করাতে তাপস মণ্ডল জানিয়েছিলেন তাঁর নাম সুজয় ভদ্র। কে এই সজয় ভদ্র, কী তার পরিচয় তা স্পষ্ট করেননি তিনি। দাবি করেছিলেন কুন্তল ঘোষ সব জানেন। কুন্তলকে জিজ্ঞাসা করুন। তার পর থেকেই এই কালীঘাটের কাকু কে তার অনুসন্ধান শুরু হয়ে গিয়েছে।

গোপাল দলপতিকে ফের তলব
এদিকে আজ আবার গোপাল দলপতিকে তলব করেছে সিবিআই। তাপস এবং কুন্তলের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী গোপাল দলপতি। তিনিই টাকার লেনদে ন করিয়ে দিতেন। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন বেআইনিভাবে তাপস মণ্ডল তাঁর স্ত্রী, ভাগ্নে-ভাগ্নি সকলকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন। নিয়োগ দুর্নীতি পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে তাপস মণ্ডলের কুকীর্তি। তাপস মণ্ডলের ছেলের চাকরি বৈধ ভাবে হয়েছিল কিনা তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে সিবিআই।












Click it and Unblock the Notifications