মোদী সরকারের সঙ্গে বাম সরকারের পার্থক্য কোথায়, স্পষ্টত উল্লেখ করেছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য
নরেন্দ্র মোদীর কিছু আগে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তবে সেই সময় বাংলায় বিজেপির বাড়বাড়ন্ত ছিল না। তবে ছিল তৃণমূল। আর তাদের সহযোগিতায় ১৯৯৯-এর নির্বাচনে দুটি আসন পেয়েছিল বিজেপি।
পরবর্তী সময়ে ২০০৪ ও ২০০৯-এর নির্বাচনে বিজেপি এই রাজ্য থেকে শূন্য ছিল। তবে সিঙ্গুরে শিল্পায়নে বুদ্ধদেব সরকার ব্যর্থ হওয়ার পরেও বাংলার বাম সরকারের সঙ্গে তৎকালীন গুজরাতের নরেন্দ্র মোদী সরকারের তুলনা হয়েছে। দুহাজার এগারোয় বাংলা থেকে বাম সরকার বিদায়ের আগে যার জবাব দিয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

আট অগাস্ট, ২০২৪-এ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পরে নরেন্দ্র মোদীকে সেই আক্রমণ আর বামেদের সঙ্গে বিজেপি সরকারের তফাতের কথা উল্লেখ করেছেন বাম কর্মী-সমর্থকরা।
ব্রিগেডের সভা। সেখান থেকেই বাংলার বাম সরকার আর গুজরাতের নরেন্দ্র মোদীর সরকারের তফাত দলীয় সমর্থক ও সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, কে এই নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বিরুদ্ধে দাঙ্গা-সহ অনেক কথা রয়েছে। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট সরকার গরিবদের জমি দিয়েছিল, গুজরাতে কি তা হয়েছিল? ,বাংলায় গরিব মানুষের পঞ্চায়েত হয়েছিল, তা কি গুজরাতে রয়েছে? তিনি দাবি করেছিলেন, বাংলার গরিব ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শিখেছে। ৯৯ ভাগ ছেলে মেয়ে স্কুলে গিয়েছে। গুজরাত কি লেখাপড়ায় এগিয়েছে? এই সব প্রশ্নেরই উত্তর না।
তিনি রাজ্যের কিছু সংবাদ মাধ্যমকে নিশানা করে বলেছিলেন, কিছু কাগজ ঝাঁপিয়ে পড়েছে মোদীর মতো উন্নয়ন। তার পরেই তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদী উন্নয়ন মানে বড় পুঁজিপতিদের কাছে শ্রমিকরা নতজানু হয়ে বসে থাকত। তিনি বলেন, বাংলার মানুষ তেমন উন্নয়ন চায় না।
তিনি বলেছিলেন, বাংলার মানুষ চায় গরিব কৃষক, শ্রমিক, মধ্যবিত্তের উন্নয়ন। তাহলেই দেশ এগোতে পারবে। যদিও পরবর্তী সময়ে ২০১৪-তে নরেন্দ্র মোদী দেশের ক্ষমতায় এসেছেন।












Click it and Unblock the Notifications