আরজি করে অপরাধের আগে সঞ্জয় রায় কোথায় কোথায় গিয়েছিল, কী কী করেছিল, তথ্য প্রকাশ্যে
আরজি কর কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত এক। সঞ্জয় রায় নামে যুবককে ঘটনার দিনই গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরবর্তী সময় তাঁকে সিবিআই-এর হাতে তুলে দেয় কলকাতা পুলিশ। সেই অভিযুক্তকে নিয়ে বড় তথ্য সামনে এসেছে।
সূত্রের খবর, সঞ্জয় রায় ওইদিন রাতে মদ খেয়েছিল, সে দুটি রেডলাইট এলাকাতেও গিয়েছিল। এছাড়াও সে ওই রাতে রাস্তায় এক মহিলার শ্লীলতাহানি করে এবং মহিলার নগ্ন ছবি চায়। সূত্রের আরও খবর, ওই রাতে হাসপাতালের চেষ্ট বিভাগের সেমিনার হলে অপরাধ করার আগে অপারেশন থিয়েটারে উঁকি দিয়েছিল।

- কীভাবে ধরা হল সঞ্জয় রায়কে
গত নয় অগাস্ট ভোরে নারকীয় ঘটনার পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেখানে দেখা যায় সঞ্জয় রায় ভোর চারটেয় আরজি কর হাসপাতালে ঢুকছে। ৪০ মিনিট পরে সে বেরিয়ে যায়। হাসপাতালে ঢোকার সময় তার গলায় ব্লু টুথ ডিভাইস থাকলেও বের হওয়ার সময় তা ছিল না। সেই ইয়ারফোনটি পাওয়া যায় মৃত চিকিৎসকের দেহের কাছে। তারপরেই সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ।
- পুলিশকে কী বলেছিল
সূত্রের খবর, সঞ্জয় রায় নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছিল। পাশাপাশি সে নাকি পুলিশকে বলেছিল চাইলে তাকে যেন ফাঁসি দেওয়া হয়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছিলেন, তার নানা কুকর্মের কথা। একাধিকবার বিয়ে করা ছাড়াও টাকা তোলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় সে স্বীকার করে যে সময় চিকিৎসকের সামনে গিয়েছিল, সেই সময় ওই চিকিৎসক গভীর ঘূমে ছিলেন। সেই সময় সঞ্জয় ঝাঁপিয়ে পড়ে ধর্ষণ ও হত্যা করে বলে পুলিশের কাছে নাকি স্বীকার করেছিল।
- গিয়েছিল রেডলাইট এলাকায়
সূত্রের খবর, আট অগাস্টের রাতে সে সোনাগাছিতেও গিয়েছিল বন্ধুর সঙ্গে। তারপর রাত দুটোর দিকে দক্ষিণ কলকাতার চেতলায় আরেকটি রেডলাইট এলাকাতেও যায়। বন্ধু একটি বাইক ভাড়া করে বাড়ি চলে গেলেও সঞ্জয় যায় আরজি কর হাসপাতালে। চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার আগে সে মদও খায়। ভোর চারটে তিন নাগাদ সে জরুরি বিভাগে গিয়ে সোজা তিনতলার সেমিনার রুমের দিকে চলে যায়।
- হবে পলিগ্রাফি টেস্ট
সিবিআই ইতিমধ্যেই আদালত থেকে সঞ্জয় রাতের পলিগ্রাফি টেস্ট করানোর অনুমতি পেয়েছে। তার আগে মনস্তাত্ত্বিকদের সামনে রেখে তাকে প্রশ্ন করেছিল সিবিআই। সে মানসিকভাবে সুস্থ কিনা তাও জানার চেষ্টা করেছে সিবিআই।
- কীভাবে পুলিশে
বর্তমানে সঞ্চয় রায় ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে। ২০১৯ সালে কলকাতা পুলিশের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট গ্রুপে সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ শুরু করে। তবে এরই মধ্যে নিজের প্রভাব বাড়ায়। বাড়িতে না থেকে যে থাকত কলকাতা পুলিশের চতুর্থ ব্যাটালিয়নের ব্যারাকে।












Click it and Unblock the Notifications