শেখ শাহজাহানকে নিয়ে কী পদক্ষেপ করবে রাজ্য সরকার? রাজ্যপালের সঙ্গে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবের বৈঠক
আজ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে সাংবাদিকরা শেখ শাহজাহান প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন। মুখ্যমন্ত্রী এই ইস্যুতে একটা কথাও বলবেন না। পরিষ্কার এই কথা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
রাজ্যের বিরোধী নেতৃত্ব সন্দেশখালি ইস্যুতে ক্রমাগত চাপ বাড়াচ্ছে। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসছে। একাধিক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সন্দেশখালি ইস্যুতে তদন্তে নামছে। এই কথাই জানা যাচ্ছে। এনআইএও তদন্ত শুরু করবে বলে খবর।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুপ কেন সন্দেশখালির ঘটনায়? মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী নিজের দলের এই নেতা সম্পর্কে কী বলবেন? তিনি কি অনুব্রত মণ্ডল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সময়ের মতো শেখ শাহজাহানের পাশেও দাঁড়াবেন? সেই বিষয় নিয়ে চর্চা চলছে।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। মন্তব্য করবেন না তিনি। তাহলে কি শেখ শাহজাহানের পাশেই থাকছেন মুখ্যমন্ত্রী? চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ইস্যুতে কোনও নেতাই প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন না।
সন্দেশখালি ইস্যুতে তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। শুক্রবার সন্দেশখালিতে ইডি আক্রান্ত হয়েছিল৷ তারপর থেকেই বেপাত্তা তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। আজ বৃহস্পতিবার রাজভবনে গেলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিব।
বৃহস্পতিবার বিকেলের পর রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ও মুখ্যসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা। গত শুক্রবার সকালে সন্দেশখালির সরবেরিয়া এলাকায় ইডি আক্রান্ত হয়েছিল। সেই ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি রাজভবনে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন।
কিন্তু সেই ডাকে কেউই সাড়া দেননি সেই সময়। রাজভবন থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের কথা বলেছিলেন রাজ্যপাল। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজভবনে গেলেন মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিব। সন্দেশখালি ইস্যুতে রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে মুখ্যমন্ত্রীর দুই সরকারি আমলা সেখানে গিয়েছেন। এই কথা মনে করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications