প্রতারণা মামলায় মুকুলকে স্বস্তি দিয়ে ঠিক কী জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট
২০১৮ সালের একটি আর্থিক প্রতারণা মামলায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল কলকাতা নগর দায়েরা আদালত। বুধবার সেই গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
২০১৮ সালের একটি আর্থিক প্রতারণা মামলায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল কলকাতা নগর দায়েরা আদালত। বুধবার সেই গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে মুকুল রায়কে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

এদিন মামলার শুনানিতে মামলা কারির আইনজীবীরা দাবি করেন, তাদের কোনও কথা না শুনেই নিম্ন আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। আইনে রয়েছে কোনও প্রবীণ নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর ঠিকানায় তদন্তকারী অফিসারদের পৌঁছতে হবে। তাঁদের মক্কেল মুকুল রায় দিল্লির বাসিন্দা। তাহলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে যেতে হবে তদন্তকারীদের।
আইনজীবীরা আরও জানান, মুকুল রায় এই মামলায় সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন।
তবে রাজ্যের কৌঁসুলির দাবি, মুকুল তদন্তে সহযোগিতা করছেন না। তাঁকে তিন তিন বার সমন পাঠানো সত্ত্বেও তিনি দেখা করেননি। তাই তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে পুলিশ। সেই প্রেক্ষিতে গ্রফতারি পরোয়ানা জারি করে নিম্ন আদালত।
উল্লেখ্য, ২০১৮ এর ৩১ জুলাই বড়বাজার থানায় আর্থিক প্রতারণা ও দুর্নীতি সংক্রান্ত এক সরকারি কর্মীর কাছ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। ওই সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা করে বড়বাজার থানা। সেই মামলায় আরও চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
তদন্তে জেরায় উঠে আসে মুকুলের নাম। মুকুলের বয়ান নথিভুক্ত করার জন্য তাঁকে তিন বার ডাকা হয়। কিন্তু তিনি হাজির হননি। ওই নোটিশ অনুযায়ী, মুকুল রায় হাজির না হওয়াতেই ব্যাঙ্কশাল আদালতে আবেদন করে কলকাতা পুলিশ। এরপরেই মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে গত ২৮ জুলাই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। গ্রেফতারি এড়াতে ৩০ জুলাই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মুকুল। কিন্তু দিল্লি হাইকোর্ট মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।












Click it and Unblock the Notifications