বেঙ্গালুরুতে বস্তি উচ্ছেদে 'বাধা'! তৃণমূলের থেকে 'সক্রিয়' সিপিএম
বেঙ্গালুরুর মারাটহাল্লির বস্তিতে বসবাসরত প্রায় ১৩ হাজার মানুষকে উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে। এঁদের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে ও বস্তি অঞ্চল আবর্জনাময় এই অজুহাত তুলে উচ্ছেদের অভিযান চালানো হচ্ছে।
বেঙ্গালুরুর মারাটহাল্লির বস্তিতে বসবাসরত প্রায় ১৩ হাজার মানুষকে উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে। এঁদের 'বাংলাদেশি' তকমা দিয়ে ও বস্তি অঞ্চল আবর্জনাময় এই অজুহাত তুলে উচ্ছেদের অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সিপিএম-এর। এঁদের বড় অংশই বাঙালি, পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া, মুর্শিদাবাদের মতো জেলার বাসিন্দা বলে দাবি করেছে তারা।

কর্ণাটক রাজ্য প্রশাসন যাতে এই উচ্ছেদ আটকাতে ব্যবস্থা নেয় সেজন্য সিপিএম সাংসদ মহম্মদ সেলিম দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন বলে জানা গিয়েছে। বস্তিবাসীদের উচ্ছেদের জন্য পুর কর্তৃপক্ষ তিনদিন সময় দিলেও মঙ্গলবার আদালত এক সপ্তাহের সময় দিয়েছে। আদালত ওই অঞ্চলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার দায়িত্ব দিয়েছে পুর নিগমকেই।
অন্যদিকে বস্তিতে কেটে দেওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে মেয়র প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
সিপিএম কর্ণাটক রাজ্য কমিটির নেতৃত্ব ছাড়াও, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও হস্তক্ষেপ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। সে-রাজ্যের সিআইটিইউ, জনবাদী মহিলা সমিতি, কিছু স্বেচ্ছাসেবী ও মানবাধিকার সংগঠন-সহ বিভিন্ন গণ সংগঠন বস্তিবাসীদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
সিপিএম পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি দাবি করছে, কোনও ভারতীয় নাগরিককে 'বাংলাদেশি' তকমা দিয়ে উচ্ছেদ করা যাবে না। বিজেপি যে ঘৃণ্য প্রচার চালাচ্ছে তা বন্ধ করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য প্রশাসনকে ওই উচ্ছেদ বন্ধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে হবে, দাবি করেছে সিপিএম। কর্ণাটক রাজ্য সরকারের সঙ্গে অবিলম্বে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কথা বলতে হবে বলেও দাবি করেছে সিপিএম।












Click it and Unblock the Notifications