ফল প্রকাশের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী-বন্দনা! উঠছে নানা প্রশ্ন
২০১৮-র উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত পর্ষদ সভাপতি মহুয়া দাস। শুরুতেই লিখিত ভাষণ পড়তে শুরু করলেন তিনি। শুরু করলেন, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায়....
শুক্রবার সকাল দশটা। সল্টলেকের করুণাময়ীর উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের অফিস। ২০১৮-র উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত পর্ষদ সভাপতি মহুয়া দাস। শুরুতেই লিখিত ভাষণ পড়তে শুরু করলেন তিনি। শুরু করলেন, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায়....

মুখ্যমন্ত্রীর এই বন্দনা নিয়েই প্রশ্ন উঠে শিক্ষা মহলে। অবশ্যই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সব কাজে নজরদারি করেন। তবে তিনি তো শিক্ষামন্ত্রীও নন, কিংবা কোনও শিক্ষাবিদও নন। যদিও সমালোচকরা বলেন তিনি সবার ওপরে। হতে পারে তিনি কন্যাশ্রী চালু করেছেন। কন্যাশ্রী এই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় কী ভাবে কতটা প্রভাব বিস্তার করেছে সেটা পৃথক প্রশ্ন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায়....কথাটা ফলপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বেসুরোই বেজেছে। শিক্ষাবিদদের অনেকেই বলছেন, যদি বলতেই হয়, তাহলে তো শেষের দিকেও বলা যেত। তবে শুরুতে কথাটা বলে হয়ত নিজের অবস্থানটাকে আরও বেশি পাকা করতেই চাইছেন। কটাক্ষ সমালোচকদের।
আর যেখানে সময় মতো ফল প্রকাশের জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে ধমক দিতে হয়, সেখানে এই ধরনের বন্দনা সত্যিই বেমানান বলে বলছেন অধিকাংশই।
শিক্ষাবিদদের অনেকেই এবিষয়ে রাজনৈতিক আনুগত্যের কথা বলছেন। কিন্তু নিন্দুকদের কথা ধরে নিলে রাজনৈতিক আনুগত্য ছিল ৩৪ বছরের বাম শাসনেও। সেখানে পরীক্ষার ফল ঘোষণার সময় মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু কিংবা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অনুপ্রেরণার কথা বলা হয়েছে, সেকথা স্মরণে আনতে পারছেন না অধিকাংশই।












Click it and Unblock the Notifications