উদ্বেগজনক রাজ্যের ডেঙ্গু পরিস্থিতি! অবস্থা বুঝে ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দফতর
করোনাতে রক্ষা পেলেও রাজ্যে ডেঙ্গু নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগ। কার্যত প্রত্যেকদিনই বাড়ছে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা। এমনকি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। যদিও গত কয়েকদিন আগেই রাজ্যের মানুষকে ডেঙ্গু নিয়ে আশ্বাস করেন মুখ্যমন
করোনাতে রক্ষা পেলেও রাজ্যে ডেঙ্গু নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগ। কার্যত প্রত্যেকদিনই বাড়ছে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা। এমনকি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। যদিও গত কয়েকদিন আগেই রাজ্যের মানুষকে ডেঙ্গু নিয়ে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে।

আর এর মধ্যেই আজ বুধবার অ্যাডভাইজারি জারি করল স্বাস্থ্য দফতর। পরিস্থিতি অনুযায়ী ১৪ দফা এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে রাজ্যের সরকারি হাসপাতাল সহ ক্লিনিকগুলিকে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেখানে প্রথমেই 'ফিভার ক্লিনিক' পুরোদমে সরকারি হাসপাতালগুলিকে খুলে রাখতে বলা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, জ্বর নিয়ে যারা চিকিৎসার জন্যে আসবেন তাঁদের যেন ফিরিয়ে দেওয়া না হয়। গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, রোগীর সমস্ত তথ্য রাখার কথাও বলা হয়েছে। প্রয়োজনে যাতে যোগাযোগ করা যায় সেজন্যেই এই নির্দেশ মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা ল্যাব পরিষেবা যাতে চালু থাকে সেই সংক্রান্ত বিষয়ে হাসপাতালগুলিতে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
বিশেষ করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীদের জন্যে এই নির্দেশ বলা হয়েছে। দ্রুত টেস্টের রিপোর্ট দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে দেওয়া ১৪ তলা নির্দেশিকাতে। প্রয়োজনের পরীক্ষার দিনেই যাতে রিপোর্ট দেওয়া যায় সেই কথা বলা হয়েছে। কার্যত প্রত্যেকদিন রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হচ্ছে। সেদিকে তাকিয়ে বিশেষ সতর্ক স্বাস্থ্য দফতর।
আর তাই নির্দেশিকাতে স্বাস্থ্য দফতর জানাচ্ছে, হাসপাতালে ভর্তি সমস্ত ডেঙ্গি রোগীর রক্ত পরীক্ষা করতে হবে। শুধু তাই নয়, সঙ্গে সঙ্গেই একটা প্রাথমিক রিপোর্ট চিকিৎসককে দিতে হবে। হঠাত কোনও পরিবর্তন কিঙ্গা চিন্তার কিছু থাকলে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেই কারনেই এই নির্দেশ বলে মনে জরা হচ্ছে। একজন সরকারি সুপারকে নিযুক্ত করতে বলা হয়েছে।
ডেঙ্গু নিয়ে যাবতীয় অবস্থা আলোচনা করতেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নার্সিং ক্ষেত্রেও বিশেষ জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ডেঙ্গু মোকাবিলাতে। নার্সিং সুপাররা সংশ্লিষ্ট সুপারিনটেন্ডেন্টকে প্রতি মুহূর্তে আপডেট দেবেন বলেও নির্দেশিকাতে জানানো হয়েছে। বারবার চিকিৎসাধীন রোগীদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করার কথাও বলা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, ব্লাড ব্যাঙ্কে যথেষ্ট প্লেটলেট মজুত আছে কিনা সেদিকেও নজর রাখার কথা ১৪ দফা নির্দেশিকাতে স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এই নির্দেশ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications