শেষ পর্যন্ত সাসপেন্ড সন্দীপ ঘোষ, আরজি কর নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র
শেষ পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হল আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে। এদিন স্বাস্থ্যভবনের তরফে এই সাসপেনশনের কথা জানানো হয়েছে। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালের চেস্ট মেডিসিনের সেমিনার রুমে মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের পর থেকে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।
কিন্তু রাজ্য সরকার তো সেই দাবি শোনেইনি, আরজি করের দায়িত্ব থেকে সন্দীপ ঘোষকে সরানোর কয়েক ঘন্টার মধ্যে তাঁকে চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধীনে থাকা স্বাস্থ্য দফতর। তারপর থেকে আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তাঁদের দাবিকে আরও জোরদার করেছিলেন।

টানা পনেরো দিন প্রায় ১৫০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পরে সোমবার সন্ধেয় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করে সিবিআই-এর দুর্নীতি দমন শাখা। সেই সময় লালবাজারের কাছে অবস্থানে থাকা জুনিয়র চিকিৎসকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন। তারপর মঙ্গলবার সন্ধেয় সন্দীপ ঘোষের সাসপেনশনের বিষয়টি সামনে আসে।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ভবনের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে ফৌজদারি মামলার তদন্তের প্রেক্ষিতেই সন্দীপ ঘোষকে সাসপেন্ড করেছে রাজ্য সরকার।
তবে শুধু রাজ্য সরকারের সাসপেনশনই নয়, রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সন্দীপ ঘোষকে। মেডিক্যাল কাউন্সিলের প্যানেল ও এথিক্স কমিটি থেকে তাঁকে সরানো হয়েছে। এক্ষেত্রে সিবিআই-এর গ্রেফতারির পরে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার এদিন রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্দে সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর হাসপাতালে সিআইএসএফ সুরক্ষায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছে। সুপ্রিম কোর্টে করা কেন্দ্রের আবেদনে আরজি কর হাসপাতালে সুরক্ষার কাজে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জগুলিকে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে সিআইএসএফ কর্মীদের জন্য অপর্যাপ্ত বাসস্থান, নিরাপত্তা সরঞ্জামের অভাব এবং অপর্যাপ্ত পরিবহণের অভিযোগ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে করা কেন্দ্রীয় সরকারের অভিযোগে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেন, ২০ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া সিআইএসএফকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ মেনে চলে।












Click it and Unblock the Notifications