রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্যে বড় স্বস্তির খবর, উপকৃত হবেন বহু মানুষ
সমস্ত সরকারি দফতর খুলে গিয়েছে। ভোটের মরশুমে কাজের চাপ বেড়েছে। আর তা বাড়ায় সমস্ত সরকারি দফতরে রাজ্যে সরকারি কর্মীদের উপস্থিতি ১০০ শতাংশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ছুটতে হচ্ছে সরকারি কর্মীদের।
অনেকটাই কমেছে করোনার সংক্রমণ। কিন্তু এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। কিন্তু আতঙ্ক ভুলে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা সর্বত্র। দীর্ঘ প্রায় একবছর পর ভ্যাকসিন আসায় আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষও। এই অবস্থায় এবার সরকারি কর্মীদের জন্যে বড়সড় স্বস্তির খবর।
রাজ্যের সমস্ত কর্মচারীদের এবার করোনা টিকা দেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। আর সেই প্রস্তুতিও ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছে নবান্ন। কীভাবে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা করোনার টিকা পাবেন সেই পরিকল্পনাও ইতিমধ্যে তৈরি বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

করোনার টিকা পাবেন সরকারি কর্মীরাও
সমস্ত সরকারি দফতর খুলে গিয়েছে। ভোটের মরশুমে কাজের চাপ বেড়েছে। আর তা বাড়ায় সমস্ত সরকারি দফতরে রাজ্যে সরকারি কর্মীদের উপস্থিতি ১০০ শতাংশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ছুটতে হচ্ছে সরকারি কর্মীদের। এই অবস্থায় ফের সংক্রমণের ভয় রয়েছে। আর সেদিকে তাকিয়েই এবার রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের টিকাকরণ শুরু হবে। এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দোপাধ্যায়। আজ বৃহস্পতিবার তিনি জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার সকল সরকারি কর্মচারীদের কোভিড টিকাকরণের প্রক্রিয়ার প্রথমধাপের কাজ শুরু হয়েছে। এর পরের ধাপে রাজ্যের সরকারি কর্মীদেরও করোনার টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছনে মুখ্যসচিব

৭ লাখ অগ্রাধিকারকে টিকা দিয়েছে রাজ্য
গত একমাস ধরে করোনার টিকা করণ চলছে বাংলায়। প্রথম ধাপে স্বাস্থ্যকর্মী, ডাক্তারদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এরপর বেশ কয়েকজন অসুস্থ হলে বন্ধ থাকে ভ্যাকসিনের কাজ। সম্প্রতি ফের তা শুরু হয়েছে। পুলিশ, স্বাস্থ্য দফতরের কর্মী, পৌরসভার কর্মচারীদের করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চলছে। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে ৭ লাখ অগ্রাধিকারকে টিকা দেওয়ার কাজ সেরে ফেলেছে রাজ্য সরকার। আগামিতে এবার সরকারি কর্মচারীদের টিকাকরণের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

কীভাবে দেওয়া হবে করোনার ভ্যাকসিন
খুব শিঘ্রই এই মর্মে সমস্ত জেলার জেলাশাসকদের কাছে এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি যাবে। যেখানে সংশ্লিষ্ট সমস্ত সরকারি দফতরের সরকারি কর্মচারীদের নাম নথিভুক্ত করতে বলা হবে। জেলার যত সরকারি অফিস আছে সেখানে কর্মচারীদের তথ্যও চাওয়া হবে। এছাড়াও জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কতজন শিক্ষক, শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মী রয়েছেন সে বিষয়েও তথ্য দেওয়ার জন্যে বলা হয়েছে জেলাশাসককে। সূত্রের খবর, আগামীদিনে রাজ্যের সমস্ত কর্মচারি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কলেজ অধ্যাপক এবং শিক্ষাকর্মীদের টিকাকরণের কাজ শুরু করবে রাজ্য সরকার।

ভোটের আগে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া রীতিমত মাস্টারস্ট্রোক হিসাবেই দেখা হচ্ছে। কারণ ইতিমধ্যে কমিশনের তরফে সমস্ত ভোট কর্মীদের টিকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটা বিশাল অংশের সরকারি কর্মী ভোটের কাজে ব্যস্ত হয়ে যাবেন। বিভিন্ন জেলায় ভোটের কাজে যাবেন। এই অবস্থায় সংক্রমণের একটা ভয় থেকেই যাবে। এই অবস্থায় এই সমস্ত কর্মীদের করোনার ভ্যাকসিন দেওয়াটা খুব প্রয়োজন। অন্যদিকে, বিধানসভা ভোটের আগে সরকারি কর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হলে কর্মীদের একটা অংশকে সরকারের পাশে পাওয়া যাবে বলেও মনে করছে রাজনৈতিকমহল।












Click it and Unblock the Notifications