মদনের 'লাভলি- লাভলি' গানের পরেই এসএসকেএম-এ ফেসবুক লাইভে নয়া চমক
মদনের 'লাভলি, লাভলি' গানের পরেই এসএসকেএম-এ ফেসবুক লাইভে নয়া চমক
এদিকে কুমড়ো নিয়ে গান ধরেছেন মদন মিত্র (madan mitra)। আক্রমণ করছেন দিলীপ ঘোষ-শুভেন্দু অধিকারীকে। অন্যদিকে, এসএসকেএম (sskm) হাসপাতালে গিয়েও ফেসবুক লাইভ করছেন। আর তা সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে ভাইরালও হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তা যে বিতর্কও তৈরি করছে তা এবার বুঝতে পারলেন মদন মিত্র।

কুমড়ো নিয়ে গান মদনের
অভিনেত্রী সায়নী ঘোষের বিশেষণ দেওয়া বাংলার ক্র্যাশ মদনদা এবার গান বাঁধলেন কুমড়ো নিয়ে। কাঁকিনাড়ার সভামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, বাংলার লাইফ লাইন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে তিনি দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করে কুমড়ো বলেও কটাক্ষ করেছেন। সভায় মদনের দাবি তৃণমূল ২২১ আসন জিতে ফের ক্ষমতায় আসবে। আর মোদী-শাহকে কুমড়োর ঘ্যাট খাওয়াবে।

এসএসকেএমে গিয়ে ফেসবুক লাইভ
এহেন মদন মিত্র এসএসকেএমে গিয়েই ফেসবুক লাইভ করে বসলেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী এসএসকেএম-এর ভিতরে সভা করার জন্য অধিকর্তার অনুমতি চেয়েছিল তৃণমূলের সমর্থন পুষ্ট প্যারামেডিক্যাল ছাত্রদের সংগঠন। ক্লাসরুমের ভিতরেই মদন মিত্রকে নিয়ে সভা করতে অনুমতি চেয়েছিলেন ছাত্রছাত্রীরা। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাতে অনুমতি দেয়নি। এরপরেই গণ্ডগোল আর তারপরেই সেখানে হাজির মদন মিত্র। শুরু করে দেন ফেসবুক লাইভ।

হাসপাতালে দাঁড়িয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
হাসপাতালের মধ্যে দাঁড়িতেই মদন মিত্র চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনেন। তিনি অভিযোগ করেন, এমআরআই, সিটি স্ক্যানের জন্য টাকা দিতে হচ্ছে। রোগী ভর্তি করতেও আশি হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মদন মিত্র। তিনি প্রশ্ন করেন, এই পরিস্থিতিতেও কেন ঠান্ডা ঘরে বসে অধিকর্তা মনিময় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, একে বসু, মনি ছেত্রীর মতো অধিকর্তারা রাউন্ড দিতেন। অন্তত চারঘন্টা রাউন্ড দিতে হয় মন্তব্য করেছিলেন মদন মিত্র। তিনি আরও অভিযোগ করেন উনি ঘরে বসতে দেননি বলে দাঁড়িয়ে মিটিং করে গেলেন। এরপর অধিকর্তার ঘরে গিয়ে মিটিং করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন মদন মিত্র। এরপর তিনি জনগণের উদ্দেশে বলেন হাসপাতালে পোস্টারে ছয়লাম করে দিন, দুর্নীতিবাজ ডিরেক্টরের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও। এই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে যায় স্বাস্থ্যভবনে।

তৃণমূলের ইমেজে আঘাত
পুরনো লোকেরা বলছেন, বাম শাসনের সময়েও এসএসকেএম-এ দাপিয়ে বেড়াতেন মদন মিত্র। একটা সময়ে রোগী কল্যাণ সমিতিতেও ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি এসএসকেএম নিয়ে দলে কোনও পাত্তাই পান না বলে সূত্রের খবর। ফলে এই ধরনের আস্ফালন। এই আস্ফালন চলে যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। কেননা স্বাস্থ্যমন্ত্রীও তিনি। ফলে বিতর্কিত ফেসবুক লাইভ করার পরেই মদন মিত্র স্বীকার করে নেনে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। ফলে তিনি অধিকর্তার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। তবে এই ঘটনায় তৃণমূলের অনেকেই বলছেন, ওই সময়ের মধ্যেই দলের যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications