আনিসের বাড়িতে উমর খালিদের বাবা, সিটের সদস্যদের ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের
আনিসের বাড়িতে উমর খালিদের বাবা, সিটের সদস্যদের ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের
আনিসের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন উমর খালিদের বাবা। এদিকে সিটের তদন্তকারীরা আনিসের বাড়িতে পৌঁছলেই গ্রামবাসীরা তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। গতকালই আনিসের মৃত্যুর তদন্তে সিট গঠন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার সকালেই আনিসের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন সিটের তদন্তকারীরা। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভের জেরে তাঁরা বেশ কিছুক্ষণ কার করতে পারেননি। পরে তাঁদের বুঝিয়ে কাজ শুরু করেন তাঁরা।

আনিসের বাড়িতে উমর খালিদের বাবা
তাঁর ছেলেকে দেশদ্রোহের অপরাধে জেল খাটতে হয়েছে। তাই ছেলে কাছে না থাকার কষ্টটা ভাল করে বোঝেন উমর খালিদের বাবা। হাওড়ার আমতায় ছাত্রনেতা আনিস খানের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। আনিসের বাবার সঙ্গে দেখা করেন উমর খালিদের বাবা সৈয়দ কাসিম রসুল ইলিয়াস। তিনিও আনিসের মৃত্যুর তদন্তে সিবিআই দাবি করেছেন। তিনিও বলেছেন রাজ্য পুলিশের উপরে ভরসা করা যায় না। সঠিক তদন্তের জন্য কেন্দ্রীয় সংস্থার প্রয়োজন রয়েছে।

সিটের সদস্যদের ঘিরে বিক্ষোভ
সিটের সদস্যরা আজ আমতায় আনিস খানের বাড়িতে পৌঁছলে তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেকাতে শুরু করেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের আনিসের বাড়িতে ঢুকতে দেবেন না বলে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। বারবারই আনিসের পরিবারের তরফ থেকে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণেও তাই আনিসের পরিবারের কেউ তাঁর বাড়িতে যাননি। তদন্তকারীদের সঙ্গে মিডিয়াকেও আনিসের বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে দিতে হবে দাবি করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন গ্রামবাসীরা।

উত্তাল মহানগর
ছাত্র নেতা আনিস খানের খুনের ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে শহর। মঙ্গলবার সকাল থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ধর্মঘটের ডাক দেয়। তার পর নবান্নঅভিযান শুরু হয়। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুটি মিছিল বের করা হয়েছে। দুটি মিছিলই ডোরিনা ক্রসিংয়ের দিকে এগোতে শুরু করে। শিয়ালদহের কাছে পৌঁছলে পুলিশ তাদের আটকায়। রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। বিক্ষোভের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে মৌলালি এবং ধর্মতলা চত্ত্বর। বুধবার ফের নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে তারা।

সাসপেন্ড তিন পুলিশকর্মী
আনিসকাণ্ডে ৩ পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আমতা থানার তিন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কর্তব্য গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কনস্টেবল জিতেন্দ্র হেমব্রম, এএসআই নির্মল দাস এবং হোমগার্ড কাশীনাথ বেরাকে।
সিটের তদন্তে জানা গিয়েছে ঘটনার দিন আনিসের বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশই। সেদিন কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে। ঘটনার দিন আনিসের বাবা যখন ওই তিন পুলিশ কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তখন তাঁরা কোনও পদক্ষেপই করেননি বলে অভিযোগ। এমনকী ঘটনাস্থলে যেতেও তাঁরা দেরি করেছিলেন বলে অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications