Belgharia Shootout: চা খেতে এসে গুলিতে ঝাঁঝরা ২ তৃণমূল নেতা, রক্তে ভেসে গেল রাস্তা; বেলঘরিয়ায় তীব্র আতঙ্ক
Belgharia Shootout: ফের বেলঘরিয়ায় শুটআউট। গুলিবিদ্ধ ২ তৃণমূল নেতা। শনিবার রাতে বেলঘরিয়ায় উত্তর বাসুদেবপুরে কামারহাটি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সদস্য বিকাশ সিং ও সন্তু দাসকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। দলেরই বৈঠক থেকে তাঁরা ফিরছিলেন বলে সূত্রের খবর। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকেই কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সূত্রের খবর, শনিবার সন্ধেয় কামারহাটি পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে আদর্শ নগরে ডাক্তার দেখাতে আসেন সন্তু দাস ও তাঁর স্ত্রী। তাঁদের সঙ্গেই ছিলেন বিকাশ সিং। সেসময় দুটি মোটরবাইকে চেপে মোট ৫ থেকে ৬ জন দুষ্কৃতী তাদের সামনে জড়ো হয়। ২ জন দুষ্কৃতী আচমকাই পকেট থেকে রিভলভার বের করে। অন্ততপক্ষে ২ রাউন্ড গুলি চালায় তারা। গুলিতে জখম হন ২ তৃণমূল নেতাই। গুলি করা মাত্রই চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।

রাত ৮টা ৪০ মিনিটে গুলি চলে বলে দাবি। একজনের বুকে গুলি লাগে ও অপরজনের হাতে গুলি লাগে বলে জানা গিয়েছে। রক্তে ভেসে যায় গোটা রাস্তা। প্রত্যক্ষদর্শী সন্তুর স্ত্রী জানান, দোকানে চা খাচ্ছিলাম। এমন সময় বাইকে করে আসে দুষ্কৃতীরা। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তবে হামলাকারীদের কাউকে তিনি চেনেন না বলেই দাবি সন্তুর স্ত্রীয়ের। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকাশকে সাগর দত্ত থেকে আরজি করে পাঠানো হয়।
জনবহুল এলাকাতেই গুলি চলে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে গুলির আওয়াজ শোনা মাত্রই আতঙ্কে এদিক ওদিক ছুটতে থাকেন স্থানীয়রা। রক্তাক্ত অবস্থায় ২ জনকে উদ্ধার করেন তারাই। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের শীর্ষ আধিকারিকরা-সহ পুলিশের বিশাল টিম পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারির দাবি স্থানীয়রা বিক্ষোভও দেখান। ইতিমধ্যেই দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ঘটনাস্থলে যান ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি সাউথ অনুপম সিং। তিনি বলেন, "আহতের সঙ্গে কথা বলে তবেই বলা যাবে আসল কারণ। ২ থেকে ৩ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে।" জখম বিকাশ সিংয়ের ভাই মুন্না সিং বলেন, "দাদা টেক্সম্যাকোতে কাজ করে। ঘটনাস্থল থেকে ১০০ মিটার দূরেই বাড়ি। মোড়ের মাথায় চা খেতে এসেছিল। ২টো গুলি লেগেছে। কারও সঙ্গে শত্রুতা ছিল না। কারখানার ট্রেড ইউনিয়নের নেতা ছিল।"
তবে রাত নামতেই দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে স্বাভাবিকভাবেই। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় পুলিশের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। শনিবারের ঘটনায় কে বা কারা জড়িত তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রাজনৈতিক কারণে খুন নাকি অন্য কোনও কারণ, তা খতিয়ে দেখা হবে।












Click it and Unblock the Notifications