কলকাতায় ধৃত দুই আইএস জঙ্গিকে জেরায় চাঞ্চল্যকর তথ্য! মিথ্যা WFH-এর আড়ালে জঙ্গি কার্যকলাপের ছক ফাঁস
কলকাতায় ধৃত দুই আইএস জঙ্গিকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য এসটিএফের হাতে! একেবারে ফিল্মি কায়দায় বিদ্যাসাগর সেতু থেকে এসটিএফের অফিসাররা দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসটিএফের বিশেষ এই অভিযানে হাওড়ার দুই যুবকে জঙ্গি-যোগেই ম
কলকাতায় ধৃত দুই আইএস জঙ্গিকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য এসটিএফের হাতে! একেবারে ফিল্মি কায়দায় বিদ্যাসাগর সেতু থেকে এসটিএফের অফিসাররা দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসটিএফের বিশেষ এই অভিযানে হাওড়ার দুই যুবকে জঙ্গি-যোগেই মূলত গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, ধৃত দুই যুবকের সঙ্গে আইএসের সক্রিয় যোগ ছিল। এমনকি বিদেশে পালিয়ে যাওয়ারও ছক ছিল ধৃত ওই দুই যুবকের। ইতিমধ্যে ধৃত দুই যুবককে দফায় দফায় জেরা করছেন এসটিএফের আধিকারিকরা।

লাগাতার জেরা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
শনিবার ধৃত দুই জঙ্গিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে এসটিএফ। আর এরপর থেকেই লাগাতার জেরা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। আর তাতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে বলেই খবর। জানা যাচ্ছে, ধৃত দুই জঙ্গির নাম সৈয়দ আহমেজ ও সাদ্দাম মল্লিক। ধৃত সাদ্দামের সঙ্গে ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে সক্রিয় যোগ ছিল বলে জানতে পেরেছেন আধিকারিকরা। টেলিগ্রাম সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই আইএসের বিভিন্ন হ্যান্ডেলারের সঙ্গে সাদ্দামের যোগাযোগ ছিল বলেই খবর। এমনকি ঘরে বসেই বিভিন্ন সাঙ্কেতিক শব্দের মাধ্যমে আলোচনা চলত বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য এসটিএফের হাতে।

তাঁদের ছেলে একটি বেসরকারি অফিসে কাজ করে!
শুধু তাই নয়, সাদ্দামের বাড়িতে লোকজন জানতেন যে তাঁদের ছেলে একটি বেসরকারি অফিসে কাজ করে। যদিও সে বাড়িতে জানিয়েছিল ওয়ার্ক ফ্রম হোম চলছে। যদিও তেমন কিছুই নাকি সাদ্দাম করতেন না বলে খবর। অনেকদিন আগেই চাকরি তাঁর চলে যায় বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এমনকি রেল সহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থাতে প্রবেশিকার পরীক্ষাও দিয়েছিল সে। যদিও তাতে সফল হয়নি। বাড়িতে মিথ্যা বলেই বিভিন্ন ধরণের জঙ্গি কার্যকলাপ সে চালাত বলে খবর।

সাদ্দামের মোবাইল এবং ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে
অন্যদিকে STF সূত্রে জানা যাচ্ছে ইতিমধ্যে সাদ্দামের মোবাইল এবং ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আর সেই সমস্ত জিনিসগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে জঙ্গি যোগের একাধিক নথি এবং ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর। আইএসের বিভিন্ন ভিডিও সে দেখত বলেও খবর। এমনকি একটি পাসপোর্ট পাওয়া গিয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ধৃত সাদ্দামের তিন ভাই। যাদের মধ্যে একজন সৌদিতে থাকেন। তাঁর কাছেই নাকি যাওয়ার ছক ছিল তাঁর। কিন্তু সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে এসটিএফের তরফে।

কেন আগ্মেয়াস্ত্র জোগাড়ের চেষ্টা করছিল?
তদন্তকারীরা মনে করছেন, সৌদি যাওয়ার আড়ালে আইএস সংক্রান্ত অন্য কাজ রয়েছে সাদ্দামের। তবে সে কেন আগ্মেয়াস্ত্র জোগাড়ের চেষ্টা করছিল? সেটাই ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। তাঁর অন্য কোনও মটিভ ছিল? আর তা ঘটিয়েই বিদেশে উড়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছিল? এই বিষয়টি উড়িয়ে দিতে পারছেন না আধিকারিকরা।












Click it and Unblock the Notifications