এবার ‘একুশে’ শুধুই শহিদ-স্মরণ নয়, লোকসভার আগে বড় ‘চমকে’র অপেক্ষায় তৃণমূল
এবার একুশে শুধুই শহিদ-স্মরণ নয়। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ এবার অনেক চমক নিয়ে আসতে পারে। কংগ্রেসে বিধায়কদের উপস্থিতি থেকে শুরু করে সিপিএমের দুই প্রাক্তন সাংসদ এবার মমতার মঞ্চে স্থান পেতে পারেন।
এবার একুশে শুধুই শহিদ-স্মরণ নয়। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ এবার অনেক চমক নিয়ে আসতে পারে। কংগ্রেসে বিধায়কদের উপস্থিতি থেকে শুরু করে সিপিএমের দুই প্রাক্তন সাংসদ এবার মমতার মঞ্চে স্থান পেতে পারেন। সেই সম্ভাবনা ক্রমশই উজ্জ্বল হয়ে উঠছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। শুধু মঞ্চে উপস্থিতিই নয়, তাঁদের নিয়ে আরও জল্পনা শোনা যাচ্ছে তৃণমূলের অন্দরে।

দুজনেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্নেহধন্য। দুজনেই একটা সময়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোর বিরোধী ছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি তাঁদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল তৃণমূলের প্রতি আকৃষ্ট করেছে। একজন ইতিমধ্যেই সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হয়ে তৃণমূল সরকারের কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। আর অপরজন সদ্য বহিষ্কৃত হওয়ার আগে দল ছেড়েছেন। এখনও জানাননি তাঁর ভবিষ্যৎ গন্তব্য। তবে হাবভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন অনেক কিছুই।
প্রথম জন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, দ্বিতীয়জন মইনুল হাসান। তাঁদের নিয়েই এখন গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে। তাঁদের দু'জনকেই এবার দেখা যেতে পারে তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে। দুজনেরই তৃণমূলে যোগদান স্রেফ সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এমনকী মইনুল মুর্শিদাবাদ থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হতে পারেন বলেও গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
আর ঋতব্রত নিয়ে রাজনৈতিক মহলের অভিমত, তিনি ইতিমধ্যেই ঢুকে পড়েছেন শাসক দলে। তাঁর আনুষ্ঠানিক যোগদান যে কোনওদিন হতে পারে। সেই জল্পনা থেকেই ধারণা তৈরি হয়েছে, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে দুজনেই উপস্থিত থাকতে পারেন। এটাই হবে বর্তমান বঙ্গ-রাজনীতিতে বড় চমক। তারপর কংগ্রেসের বিধায়করা যদি তৃণমূলের মঞ্চে আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত হন, সেটাও আর এক চমক হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications