কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে অমিত শাহকে ৫১ হাজার চিঠি তৃণমূলের ছাত্র ও যুবদের

ধর্মতলা চত্বরে রাজ্য বিজেপির মেগা সভা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সভায় প্রধান বক্তা। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস কোনওভাবেই জমি ছেড়ে দিতে চাইছে না। পাল্টা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে জোড়া ফুলের তরফ থেকেও। একদিকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা, অন্যদিকে রাজ্যের দুর্নীতি। দুই শিবির একে অপরের দিকে আঙ্গুল তুলছে দীর্ঘদিন ধরে।

ভোটের আগে কেন্দ্রের বঞ্চনা নিয়ে আরও সরব হচ্ছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। অমিত শাহ কলকাতায় সভা করছেন। সেজন্য আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়াতে চাইছে তৃণমূল। বিধানসভায় মন্ত্রী বিধায়করা কালো পোশাক পরে এসেছেন পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি মেনে।

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে অমিত শাহকে ৫১ হাজার চিঠি তৃণমূলের ছাত্র ও যুবদের

তিন দিনের কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। বিধানসভায় বি আর আম্বেদকর মূর্তির সামনে অধিবেশনের পরে ধরনায় বসবেন তারা। এদিন তাপস রায়, ব্রাত্য বসু থেকে অন্যান্যরা প্রত্যেকেই কালো পোশাক পরে এসেছেন। বিজেপি হিংসার রাজনীতি করে। একের পর এক মিথ্যা কথা তারা। এর আগে অমিত শাহ আসার পরে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা হয়েছিল। সেই অভিযোগ তিনি ফের তুললেন।

রাজ্যের মানুষ বঞ্চিত। কেন্দ্র পাওনা টাকা আটকে রেখেছে। একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। বাংলার সাধারণ মানুষের সমস্যা কোনওভাবেই বিজেপির কেন্দ্রের নেতা - মন্ত্রীরা শুনতে চাইছেন না। এই অভিযোগ করলেন তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়।

এদিকে ৫১ হাজার চিঠি লিখেছেন তৃণমূলের ছাত্র ও যুব নেতানেত্রীরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উদ্দেশ্যে এই চিঠি। চিঠিতে প্রশ্ন করা হয়েছে, কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার কেন প্রতিহিংসার বশে বাংলার ন্যায্য পাওনা আটকে রেখেছে? দেশের বেকারত্ব প্রসঙ্গে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। যুব নেতৃত্বের বক্তব্য, অমিত শাহের কলকাতা সফরের সময়েই তাঁর সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের উদ্দেশ্যে এই চিঠি লেখা হয়েছে।

তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী ঘোষ চিঠিতে লেখেন, "যখন আপনি সম্ভবত আপনার কর্মীদের এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আসন্ন দলীয় কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন, তখন সেখানে বাংলার একজন তরুণ ভোটার হিসেবে আমি কিছু জরুরি প্রশ্নের উত্তর চাই। আমি আশা করছি কেন্দ্রীয় সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি হিসাবে আপনি সেই প্রশ্নের উত্তর দেবেন।"

তিনি আরও যোগ করেছেন, মোদী সরকারের অধীনে ভারতের বেকারত্বের হার ৪৫ বছরের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশে পৌঁছেছে। তার মতে, "ক্রমাগত হয়রানি এবং হাজার হাজার তরুণকে ভারতীয়কে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছে।"

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+