বিজেপিকে ‘ভারত ছাড়া’ করার ফর্মুলা তৈরি মমতার, তবে কি সিপিএমেও ছুঁৎমার্গ উধাও
বিজেপিকে শুধু বাংলা ছাড়া নয়, ভারত ছাড়া করার ছক কষে ফেলেছেন মমতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ফর্মুলা অনুযায়ীই ‘ওয়ান ইজ টু ওয়ান’ লড়াইয়ের ডাক দিলেন।
উপনির্বাচনে বিজেপিকে গোহারা হারানোর পরও বিজেপির ভোট-বৃদ্ধিতে কি সন্দিহান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? তা না হলে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রবল প্রতাপে জয় হাসিল করার পর কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে একের বিরুদ্ধে এক লড়াই চান। তাঁর দল তো ফলাও করে বলেছে, পাঁচটি রাজনৈতিক দল এক হলেও হারাতে পারবে না তৃণমূল কংগ্রেসকে। তাহলে দলনেত্রী কেন বিজেপিকে হটাতে এমন পরিকল্পনা কষছেন?

আসলে বিজেপিকে শুধু বাংলা ছাড়া নয়, ভারত ছাড়া করার ছক কষে ফেলেছেন মমতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ফর্মুলা অনুযায়ীই 'ওয়ান ইজ টু ওয়ান' লড়াইয়ের ডাক দিলেন। বৃহস্পতিবার উপনির্বাচনে এ রাজ্যে যখন প্রভূত সাফল্য পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস, রাজস্থানেও বিজেপিকে ধরাশায়ী করেছে কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করলেন, বিজেপিকে ভারত ছাড়া করার সময় এসে গিয়েছে। প্রয়োজনে একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থী দিতে হবে। তাহলে দেশে থেকে বিজেপিকে হটানো সম্ভব হবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বিপুল জয়ের পরও বিজেপিকে হটাতে জোট গড়ার ডাক দেন। তাঁর কথায়, 'বিজেপিকে হারাতে বিরোধী বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। যেখানে যে রাজনৈতিক দল শক্তিশা্লী, সেখানে সেই দলকে সমর্থন করতে হবে। তাহলেই একের বিরুদ্ধে এক লড়াইয়ের ফর্মুলা তৈরি হওয়া কোনও শক্ত ব্যাপার হবে না। বড় দলকে এই কথাটা মাথায় রাখতে হবে।'
এ প্রসঙ্গে মমতার উদ্দেশ্য ছিল কংগ্রেসকে বার্তা দেওয়া। এদিন সনিয়া গান্ধীর ফোন আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিবৃতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এমনকী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন আভাসও দিয়েছেন, বৃহত্তর স্বার্থে ভিন্ন আদর্শের দলের সঙ্গেও এক সঙ্গে চলতে হবে। মোট কথা ওয়ান ইজ টু ওয়ান লড়াইয়ের জন্য স্বার্থত্যাগ করা বড় প্রয়োজন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তাই দিল্লিতে সনিয়া গান্ধীর বৈঠকে জানিয়েছেন ডেরেক ও ব্রায়ান। উপনির্বাচনের পর থেকেই ২০১৯-এ সলতে পাকানো শুরু হয়ে গিয়েছে। একদিকে সনিয়া গান্ধী, অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়- দুই কাণ্ডারি মিলে এবার মোদী হটানোর যজ্ঞ শুরু করার প্রয়াস শুরু করতে চলেছেন।












Click it and Unblock the Notifications