দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে যান নিয়ন্ত্রণ, ক্ষতির মুখে পড়ে কলকাতা বন্দর তাকিয়ে আদালতের দিকে
কলকাতা, ২৮ সেপ্টেম্বর : দ্বিতীয় হুগলি সেতু ও বন্দর সংলগ্ন এলাকায় যান নিয়ন্ত্রণের জেরে সঙ্কটে কলকাতা বন্দরের কাজ। ট্রাফিকের বিধি-নিষেধ চালু হওয়ার পর এখন বন্দর কর্তৃপক্ষ তাকিয়ে রয়েছে আদালতের দিকে। আজ, বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে কী রায় দেয়, তার উপরই নির্ভর করছে কলকাতা বন্দরের মাল লোডিং-আনলোডিংয়ের ভবিষ্যৎ।
কলকাতা পুলিশ সপ্তাহ খানেক আগে সিদ্ধান্ত নেয়, দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এর ফলে কোনও ভারী পণ্য পরিবাহী যান এই ১২ ঘণ্টার মধ্যে বন্দর এলাকায় ঢুকতে বা বের হতে পারবে না। মাঝারি ও হাল্কা পণ্যপরিবাহী যানের ব্যাপারেও নিয়ন্ত্রণ-সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছ'টা পর্যন্ত রয়েছে এই নিয়ন্ত্রণ। এতেই মাথায় হাত পড়ে ব্যবসায়ীদের।

ব্যবসায়ীরা এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থও হন। কাস্টমস হাউস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে হাইকোর্টেও আবেদন জানানো হয়। মঙ্গলবার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে পুলিশ জানিয়ে দেয় বন্দর এলাকায় যান নিয়ন্ত্রণ চলবে। এখন আদালতই একমাত্র ভরসা। ক্ষতির মুখে পড়ে কাজ বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে কাস্টমস হাউস অ্যাসোসিয়েশন। তবে আদালত কী বলে, তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পুলিশ যান নিয়ন্ত্রণ করায় পণ্য ওঠানো-নামানোর সময় কমে গিয়েছে। ফলে কোনও সামগ্রী নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে না। এই যান নিয়ন্ত্রণের ফলে রাজ্য ও এমনকী ভিনরাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকাতেও ওষুধ, শাক, সবজি, ফলের জোগানে টান পড়বে।












Click it and Unblock the Notifications