পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভবিষ্যৎ আইনি-ফাঁসে বন্দি, এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ ট্রেড ইউনিয়ন
যতদিন যাচ্ছে, ততই পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভবিষ্যৎ মামলার ফাঁসে বন্দি হয়ে যাচ্ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সম্ভাবনাকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলছে একের পর এক মামলা।
যতদিন যাচ্ছে, ততই পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভবিষ্যৎ মামলার ফাঁসে বন্দি হয়ে যাচ্ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সম্ভাবনাকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলছে একের পর এক মামলা। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচন পিছনোর দাবিতে মামলা করল রাজ্যের ১১টি ট্রেড ইউনিয়ন। ট্রেড ইউনিয়নগুলির দাবি, আন্তর্জাতিক মে দিবসের দিন ভোটের দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়েছে। তাদের দাবি ওইদিনের ভোট পিছনো হোক।

এর আগে বিজেপির তরফে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলা করেছিল কংগ্রেস, সিপিএম, সিপিআইও। মামলা করেছিল সরকারি কর্মচারী সংগঠনও। এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি। সব মিলিয়ে একাধিক মামলার ফাঁসে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা গ্রাস করেছে।
এদিন হাইকোর্টের সিঙ্গল ও ডিভিশন বেঞ্চে পৃথক পৃথক মামলা চলছে। সেই মামলার শুনানি শেষেই জানা যাবে কোনদিকে গড়াতে পারে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভবিষ্যৎ। এতগুলি মামলার বেশ চাপে পড়েছে রাজ্য সরকার। ও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনও বিপাকে পড়েছে। মূলত তাঁদের একটি পদক্ষেপেই জলঘোলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ স্থগিতাদেশ জারি করে পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রক্রিয়ার উপর। সোমবার পর্যন্ত স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল নির্বাচন প্রক্রিয়া। এখন হাইকোর্টের নির্দেশের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সব পক্ষ। এদিন হাইকোর্টে মামলার সব পক্ষ হাজির। আশা করা হচ্ছে এদিনই একটা সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যাবে।












Click it and Unblock the Notifications