Toy Room Kolkata: কলকাতার পাবে আতঙ্কিত অসহায় বাঁদর! পশুপ্রেমীরা গর্জে উঠতে সাফাই কর্তৃপক্ষের
Toy Room Kolkata: টয় রুম কলকাতা হঠাৎই ট্রেন্ডিং। কলকাতার হো চি মিন সরণির এই পাব এখন তুমুল বিতর্কের কেন্দ্রে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি বাঁদরের ভিডিও। যার চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ।
তা দেখেই গর্জে উঠেছেন শহরের সেলিব্রিটি থেকে সাধারণ মানুষ। পশুপ্রেমীরা চরম ক্ষুব্ধ গোটা ঘটনায়। অবিলম্বে পেটা-র পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিনেতা অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় ফেসবুক পেজে লেখেন, যদি আপনারা মনে করেন কোনও ক্ষুধার্ত বাচ্চা বাঁদর রাখলে আপনাদের সার্কাস থিমড পার্টিকে 'কুল' মনে হবে তাহলে আমি দুঃখের সঙ্গে জানাই, এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা।

অনেক নেটাগরিক লেখেন, টয় রুম ক্লাব কলকাতা সার্কাস থিমড পার্টির আয়োজন করেছিল। প্রবল আওয়াজ, রং-বেরংয়ের আলো, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের মাধ্যমে অত্যন্ত শীতল বদ্ধ ঘরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেঁধে রাখা হয়েছিল একটি ছোট বাঁদরকে। বাঁদরটি যে ওই পরিবেশে আতঙ্কের মধ্যেই ছিল তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

বাঁদরটির ওই অবস্থার ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল হতেই সকলেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন। যাঁরা ওই পরিবেশে বাঁদরটিকে ওইভাবে দেখেও আনন্দ, উচ্ছ্বাসে মেতেছিলেন তাঁদের মানবিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পিপল ফর দি ইথিকাল ট্রিটমেন্ট অব অ্যানিম্যালস বা পেটা-কে এই ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানানো হয়েছে।

সমালোচনার ঝড় উঠতেই সাফাই দিয়েছে টম রুম ক্লাব কলকাতা কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, বাঁদর খেলা বা মাদারির খেলা দেখান এমন কয়েকজন ক্লাবে এসেছিলেন বাঁদরগুলি নিয়ে। তাঁরা ক্লাবে বাঁদর খেলা দেখানোর বন্দোবস্ত করার অনুরোধ জানান। যদিও সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল বলে দাবি টয় রুম ক্লাবের।
আরও জানানো হয়েছে, এরপর ওই ব্যক্তিরা ক্লাবের গ্রাউন্ড ফ্লোরে চলে যান। মলের প্রবেশদ্বারের কাছে বসে তাঁরা বাঁদর খেলা দেখিয়ে রোজগারের আশায় বসে ছিলেন। কোনও বাঁদরের কোনওরকম ক্ষতি হয়নি। সেখানে কেয়ারটেকাররাও উপস্থিত ছিলেন। প্রাণীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সে বিষয়ে টয় রুম ক্লাব সতর্ক ও সহমর্মী বলেও দাবি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications