RG Kar Case: লাল জামার অভীক দে নাকি ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সপার্ট! সাসপেন্ড করল TMCP, মুখ পুড়ল কলকাতা পুলিশের
সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতারি পরেই তাঁর ঘনিষ্ঠ পিজিটি চিকিৎসক অভীক দে-কে সাসপেন্ড করল TMCP। প্রেস বিবৃতি জারি করে টিএমসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আরজি কর হাসপাতাল কাণ্ডের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভীক দে-কে সাসপেন্ড করা হল।
সন্দীপ ঘোষের ডান হাত বলা হতো এসএসকেএম হাসপাতালের পিজিটি চিকিৎসক অভীক দে-কে। ঘটনার দিন আরজিকর হাসপাতালে একেবারে সেমিনার হলে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে অভীক দে কী করছেন প্রশ্ন তোলাতে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে লাল গেঞ্জি পরা অভীক দে ছবি সার্কেল করে দাবি করা হয়েছিল তিনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সপার্ট।

আরজি কর হাসপাতালে ঘটনার দিন সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠরা ভিড় করেছিলেন। দেবাশিস সোম, বীরুপাক্ষ থেকে অভীক দে সকলেই হাজির হয়ে গিয়েছিলেন সেখানে। এবং কলকাতা পুলিশ সব জেনেও তাদের সেখান থেকে সরানোর কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার দিনের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই IMA বেঙ্গলের পক্ষ থেকে বিবৃতি দাবি করে লাল জামা পরা অভীক দের দিকে আঙুল তোলা হয়েছিল। এসএসকেএমের পিজিটির ছাত্র অভীক দে কীভাবে সেখানে পৌঁছল তাকে কীভাবে কলকাতা পুলিশ ফিঙ্গার প্রিন্ট এক্সপার্ট বলে দাবি করল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।
এসএসকেএমে টিএমসিপির ছাত্র নেতা অভীক দে পিজিটির ছাত্র। তার সঙ্গে সন্দীপ রায় ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। এবং সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ ছিলেন অভীক দে। ডাক্তারি পড়ুয়াদের পাশ করিয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা তোলা থেকে শুরু করে টুকলি সাপলাই করা একাধিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। এমনকী অভীক দে জেলার একাধিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিজের প্রভাব ছড়িয়ে বেড়াতেন। সব জানার পরেও অভীক দের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি স্বাস্থ্য ভবন। তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বিভিন্ন মহলে।
সন্দীপের গ্রেফতারির সঙ্গে সঙ্গেই অভীক দে-কে সাসপেন্ড করে কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসকি পরোক্ষে স্বীকার করে নিল যে অভীক দে হাসপাতালে দুর্নীতি চালিয়ে যেত। এবং সন্দীপ ঘোষের দুর্নীতিও পরোক্ষে প্রমাণিত হয়ে গেল। আরজি কর হাসপাতাল সহ স্বাস্থ্যভবনে যে দুর্নীতির একটি চক্র চালাত সন্দীপ ঘোষ সেটা প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications