Firhad and Mamata: মমতার মতের বিরুদ্ধে যাচ্ছেন ববি! অভিষেকের দ্বারস্থ হতে চায় তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন
Firhad and Mamata: মমতার মতের বিরুদ্ধে যাচ্ছেন ববি! অভিষেকের দ্বারস্থ হতে চায় তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন
রাজ্যের মন্ত্রী ও কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিরোধী দলের কোনও নেতা নন, ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছে তৃণমূলেরই শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-র একটি অংশ। তবে মেয়রের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

পুরসভার উচ্ছেদ অভিযান
ঘটনার সূত্রপাত, এ বছর মার্চ মাসে। সিআইটি রোডের বিদ্যাসাগর মঞ্চে বেশ কয়েকটি ছোট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিগত ২৩ বছর ধরে সেখানে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন প্রায় ৩০ জন। অভিযোগ, আগাম কোনও নোটিশ ছাড়াই এই সব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে কলকাতা পুরসভা। ফলে বেকার হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বেশ কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের অফিসও রয়েছে সেখানে। সেইসব অফিসেও তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বাধীন কলকাতা পুরসভা। শ্রমিক সংগঠনের এই অফিসগুলির মধ্যে রয়েছে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের অফিসও।

সুর চড়িয়েছেন তৃণমূলের শ্রমিক নেতা
মার্চ মাস থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির পর কোনও কাজ না হওয়ায় অভিযোগ করে এবার সুর চড়িয়েছেন তৃণমূলেরই শ্রমিক সংগঠনের নেতা প্রমথেশ সেন। তিনি ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনালিষ্ট হকার্স সংগ্রাম সমিতির সভাপতি। একটা সময়ে কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অনুগত হওয়ায় প্রমথেশ তৃণমূলের যোগ দিয়েছিলেন।
প্রমথেশ সেনের কথায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন স্পষ্ট বলছেন, কোনও রকম ক্ষতিপূরণ কিংবা পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করা যাবে না, তাহলে কোন কার্যসিদ্ধি করতে তাঁর ( মমতার) নির্দেশ অগ্রাহ্য করছেন মেয়র? তৃণমূলের শ্রমিক নেতার প্রশ্ন, তাহলে কি বুঝতে হবে এই বিদ্যাসাগর মঞ্চকে কেন্দ্র করে কারও সঙ্গে কোনও আন্ডার টেবিল ডিল হয়েছে মেয়রের? না হলে কীসের এত তাড়াহুড়ো যে তালা দেওয়ার আগে নোটিশ জারি করার সময়টুকুও পাওয়া গেল না? প্রমথেশ সেন দাবি করেছেন, এব্যাপারে মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে চিঠি দিলেও তাঁর কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি।

এবার অভিষেকের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা
বর্তামেন প্রায় ৩০ টি পরিবার অভাবের সঙ্গে লড়াই করছে, আর এটা হয়েছে মেয়রের হঠকারী সিদ্ধান্তের জন্য। এমনটাই মনে করছে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের এই অংশ। একই সঙ্গে তাদের ধারণা, এই সিদ্ধান্তের পিছনে কোনও অসাধু উদ্দেশ্য রয়েছে। তাই প্রমথেশ সেনের কথায়, "অতঃপর অভিষেক।" তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস থেকে দেখা করার সময় পাওয়া গেলে, তাঁকে সব কথা খুলে জানাবেন বলে জানিয়েছেন প্রমথেশ সেন।












Click it and Unblock the Notifications