কলকাতায় আছড়ে পড়ল বিক্ষোভের ঢেউ, অসমে বাঙালি-নিধনে তৃণমূলের মহামিছিল
অসমে পাঁচ বাঙালি প্রতিবাদের ঝড় আছড়ে পড়ল কলকাতার বুকে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের মিছিল শুরু হয় যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে।
অসমে পাঁচ বাঙালি প্রতিবাদের ঝড় আছড়ে পড়ল কলকাতার বুকে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের মিছিল শুরু হয় যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে। অভিষেকের সঙ্গে এই মিছিলে পা মেলান ফিরহাদ হাকিম থেকে শুরু করে মদন মিত্র, দেবাশিস কুমার, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়।

কলকাতা এদিন গর্জে উঠল অসমে জঙ্গিদের গুলিতে অসমের পাঁচ বাঙালি নিধনের প্রতিবাদে। মহামিছিল করে তৃণমূল কংগ্রেস বুঝিয়ে দিল বিজেপি-রাজ্যে বাঙালি নিধনের প্রতিবাদে মানুষ তাদের সঙ্গে রয়েছে। কেননা যখন গোলপার্ক ক্রস করে গিয়েছে মিছিল, তখন মিছিলের শেষপ্রান্ত যাদবপুর বাসস্ট্যান্ডেই রয়ে গিয়েছে।

এদিন প্রতিবাদ মিছিলে সামনেই শেম পোস্টার নিয়ে মানুষের ঢল নামে। আরও নানা পোস্টারে অসমে গণহত্যার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বিজেপি বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে সেইসব পোস্টার। হাজার হাজার মানুষ তা বুকে ঝুলিয়ে কলকাতায় রাস্তায় হেঁটে চলেছেন। এই মিছিল হাজরায় গিয়ে শেষ হয়, তারপর সেখানে অসমে বাঙালি নিধনের প্রতিবাদে সরব হন অভিষেক-সহ অন্যানরা।
বৃহস্পতিবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র প্রতিক্রিয়ায় জানান, ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামবে তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার বাংলা জুড়ে ধিক্কার জানানো হবে। সেইমতো এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অসমের তিনসুকিয়ায় বর্বরোচিত হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে দ্রুত শাস্তির দাবি জানানো হয়।
প্রশ্ন তোলা হয়, এনআরসি-র জেরেই কি এই হত্যাকাণ্ড? অসমে এনআরসি-তে ৪০ লক্ষ নাগরিকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল, তারপর থেকেই আতঙ্কে চিলেন অসমের বাঙালিরা। এবার ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হল। যার প্রতিবাদে গর্জে উঠল গোটা বাংলা। কলকাতায় সংঘটিত হল মহামিছিল।












Click it and Unblock the Notifications