মুকুলের টোটকা কি কাজ করতে শুরু করে দিল! সব্যসাচী গরহাজির তৃণমূলের বৈঠকে
একদিনও কাটেনি সাক্ষাতের, মুকুল রায়ের ‘টোটকা’ কি এরই মধ্যে কাজ করতে শুরু করে দিল? রাত পোহাতেই সেই প্রশ্নটাই উঠে পড়ল আবার।
একদিনও কাটেনি সাক্ষাতের, মুকুল রায়ের 'টোটকা' কি এরই মধ্যে কাজ করতে শুরু করে দিল? রাত পোহাতেই সেই প্রশ্নটাই উঠে পড়ল আবার। রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে সেই আলোচনা। আর সেই আলোচনায় ধুনো দিয়েছে দলের বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কাম মেয়র সব্যসাচী দত্তের অনুপস্থিতি। যদিও সব্যসাচী জানিয়েছেন, তিনি অসুস্থ। তাই উপস্থিত থাকতে পারেননি বৈঠকে।

শুক্রবার রাতে সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে আসেন মুকুল রায়। তারপরই রাজনৈতিক মহলে জল্পনার পারদ চড়েছে। তাহলে কি লোকসভার আগে সব্যসাচীও বিজেপিতে নাম লেখাতে চলেছেন? তা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের বৈঠকে গরহাজির ছিলেন বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত। ফের শুরু হয়ে যায় সব্যসাচীকে নিয়ে জল্পনা।
শনিবার মধ্যমগ্রামে বসেছিল তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠক। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা ছিল সব্যসাচী দত্তের। কিন্তু তিনি এদিন উপস্থিত হতে পারেননি। এরপর ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি বৈঠকে উপস্থিত হতে পারেননি। উল্লেখ্য, বিধানগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত মুকুল রায়ের অনুগামী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হঠাৎ তাঁর আগমনের পরই সব্যসাচী গরহাজির হলেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে সব্যসাচীর বাড়িতে দেড় ঘণ্টা কাটানোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, সব্যসাচীর সঙ্গে আমার দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক। খিদে পেলেই চলে আসি এ বাড়িতে। আজও এলাম। দশদিন আগেও এসেছিলাম। লুচি-আলুর দম খেলাম, ছানার জিলিপি খেলাম। এবার বাড়ি যাব। তিনি জানালেন কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি সব্যসাচীর সঙ্গে। তবে মুকুল রায়ের আসার পরদিনই দলের বৈঠকে সব্যসাচীর অনুপস্থিতি কিন্তু অন্য বার্তা দিচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications