Kunal Ghosh: রাজ্যে বিরোধী অস্তিত্বকেই নস্যাৎ কুণাল ঘোষের! বাম-বিজেপি স্মরণ করাল জেলবাসের কথা
এরাজ্যে তারাই সরকার, তারাই বিরোধী। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে এমনটাই মন্তব্য করলেন রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। বিরোধীদের নিশানা করে তিনি বলেছেন, বাকি অশুভ শক্তির কোনও জায়গাই নেই। তিনি দাবি করে
এরাজ্যে তারাই সরকার, তারাই বিরোধী। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে এমনটাই মন্তব্য করলেন রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। বিরোধীদের নিশানা করে তিনি বলেছেন, বাকি অশুভ শক্তির কোনও জায়গাই নেই। তিনি দাবি করেছেন, মানুষের কাজ তৃণমূলই করবে আর কোথাও ভুল থাকলে তা তৃণমূলই সংশোধন করবে। বলেছেন কুণাল ঘোষ। বিরোধী বিজেপি ও বামেরা এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

তৃণমূলই মানুষের কণ্ঠ
কুণাল ঘোষ বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসই শাসকদল, তৃণমূল কংগ্রেসই মানুষের কণ্ঠ। তৃণমূল কংগ্রেসই উন্নয়নের দায়িত্বে। কোথাও কোনও কাজ বাকি থাকলে তৃণমূল কংগ্রেসই প্রতিবাদী মানুষের কণ্ঠস্বর বলে জানিয়েছেন তিনি। কুণাল ঘোষ টদাবি করেছেন, এর বাইরে কোনও বিরোধী দলের পরিসর জনতার দরবারে নেই।

বাম-বিজেপিকে নিশানা
বাম-বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেছেন, বামেরা রাজ্যটাকে তুলে দিয়ে ছেড়েছে। বিজেপি দেশকে বেচে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন রাজ্যে বিরোধীদের অস্তিত্বকেই তিনি নস্যাৎ করতে চাইছেন। কেউ কেউ বলছেন, যেভাবে জেলা-প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়করা আমন্ত্রণ পেলেও বিরোধীরা পান না, সেদিক থেকে কুণাল ঘোষ ঠিক মন্তব্যই করেছেন।

পাল্টা তৃণমূলকে নিশানা বিজেপির
তৃণমূলের মুখপাত্রের মন্তব্যের পাল্টা দিয়েছে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। তিনি কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, স্বচ্ছ্বতা ও সততার সঙ্গে তৃণমূলের মুখপাত্র, রাজনীতিতে তাদের অবস্থান এবং গণতন্ত্রের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। সেই কারণে ইংরেজি নববর্ষের শুরুতে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। বিজেপি নেতা বলেছেন রাজ্যে বিরোধী দল নেই। গণতন্ত্রে যেখানে বিরোধিতা প্রাথমিক, বিধানসভা যে বিরোধীদের, শাসকদলের নয়, সেটা তৃণমূল কংগ্রেস মানে না। তিনি অভিযোগ করেছেন রাজ্যে পুলিশ নিরপেক্ষ নয়। রাজ্যে আইনের শাসন নেই। সেই কারণে শাসকও যা, বিরোধীও তাই। শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, আজ মাদক মামলায় যতজন জেলে রয়েছেন, তার মধ্যে বিরোধীদের থেকে বেশি রয়েছেন, তৃণমূলের কোনও না কোনও গোষ্ঠীর নেতা-কর্মীরা। শমীক ভট্টাচার্য এব্যাপারে কুণাল ঘোষ জেলে থাকার সময় রাজ্য পুলিশের ব্যবহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

সিপিআইএম-এর নিশানায় তৃণমূল
সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, বিরোধীহীন রাজনীতির এটাই মনোভাব। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, ঠিক দিল্লিতে যেমন মোদীদের মনোভাব, তেমনই মনোভাব তৃণমূলের। তিনি বলেছেন, এটা গণতন্ত্র বিরোধী স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রতিফলন। তিনি বলেছেন, এই কুণাল ঘোষ এক মুখে দু-কথা বলেছেন। যেমন তিনি বলেছেন দেশের সব থেকে সৎ রাজনীতিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার তিনিই বলেছিলেন, চিটফান্ডের সব থেকে বড় বেনিফিশিয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications