TMC Rajya Sabha Candidate: মনে আছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে! রাজ্যসভায় এবার তিনিই প্রার্থী
TMC Rajya Sabha Candidate: বিতাড়িত বাম নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ((Ritabrata Banerjee) রাজ্যসভায় প্রার্থী করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আরজি করে আবহে তীব্র অসন্তোষ এবং প্রতিবাদ জানিয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন জহর সরকার। এরপর থেকেই রাজ্যসভার তৃণমূলের আসনটি ফাঁকা ছিল। সামনেই রাজ্যসভার উপ নির্বাচন। সেখানেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করল শাসকদল তৃণমূল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় শাসকদলের তরফে এহেন ঘোষণা (TMC Rajya Sabha Candidate) করা হয়। আর এরপরেই দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। জানিয়েছেন, আমিও সাংসদ হিসাবে কাজ করেছি। কেমন কাজ করেছি, কতগুলি ডিবেটে অংশ নিয়েছি সমস্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে গেলেই পাওয়া যাবে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা রাখব বলেই মন্তব্য করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

তবে প্রাক্তন বামনেতাকে তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন রাজ্যসভার বাম সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, অন্য দল থেকে বিতাড়িত নেতারা এখন তৃণমূলের সম্পদ। জহর সরকারের ছেড়ে যাওয়া আসনে যাকে প্রার্থী করা হল তাতেই শাসকদলের লাইন স্পষ্ট বলে চাঞ্চল্যকর দাবি বাম আইনজীবীর। যদিও রাজ্যসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনয়ন যোগ্য বলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন কুণাল ঘোষ।
তিনি লিখেছেন, ''এহেন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। ও যোগ্য প্রার্থী। রাজ্যসভায় থাকাকালীন ওর পারফরমেন্স ছিল অনবদ্য। সংসদে একজন দক্ষ সাংসদ হিসেবে ছাপ রেখেছিল ঋতব্রত। পরে, রাজ্য আই এন টি টি ইউ সি সভাপতি হিসেবেও যোগ্য সংগঠকের পরিচয় দিয়েছে। ঋতব্রতকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই''। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
Under the inspiration of Hon'ble Chairperson @MamataOfficial, we are pleased to announce the candidature of Shri Ritabrata Banerjee (@RitabrataBanerj) for the forthcoming Rajya Sabha Bye-Elections.
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) December 7, 2024
We extend our heartfelt wishes to him. May he work towards upholding Trinamool’s…
লিখছেন, ঋতব্রত এই মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য। নিরলস পরিশ্রম করে গিয়েছেন। পরিশ্রমের দাম সবসময় পাওয়া যায়। বলে রাখা প্রয়োজন, আরজি কর হাসপাতালের ঘটনায় উত্তাল হয় বাংলা। দলে দলে মানুষ পথে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এই ইস্যুতে মুখ খোলেন জহর সরকার।
কার্যত দলের উলটো লাইনে হেঁটে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন পথে নেমে জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলছেন না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শুধু তাই নয়, সাংসদ হিসাবে আরও ১৫ মাসের মেয়াদ বাকি ছিল জহরের। কিন্তু তাঁর আগেই রাজনীতিকে বিদায় জানান।
This recognition is truly well-deserved, reflecting the tireless effort @RitabrataBanerj has invested in strengthening the organization and advocating for trade union workers across WB. While it may take time but commitment, performance and hard work are always rewarded in the… https://t.co/6DcM1D5LrZ
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) December 7, 2024
বলে রাখা প্র্যজপন, সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের নেতা ছিলেন ঋতব্রত ভট্টাচার্য। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের খুবই পছন্দের একজন নেতা ছিলেন। কিন্তু মহিলার মারাত্মক অভিযোগ সহ একাধিক ইস্যুতে ঋতব্রত ভট্টাচার্যকে দল থেকে বহিস্কার করে আলিমুদ্দিন।












Click it and Unblock the Notifications