RG Kar Hospital: 'বিনীত গোয়েলকেও জেরা করুক CBI', এবার বিস্ফোরক দাবি সুখেন্দু শেখরের
আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুনীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা নিয়ে প্রথম থেকেই প্রতিবাদী হিসেবে মুখ খুলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রস সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। তিনি মেয়েদের রাত দখলের অভিযানকে সমর্থন জানিয়ে যোধপুর পার্কে বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অবস্থান করেছিলেন।
সেদিন সুখেন্দু শেখর এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে সওয়াল করেছিলেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় রাত দখলের কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়ে লিখেছিলেন, আমারও একটা মেয়ে রয়েছে নাতনি রয়েছে। কাজেই মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে যে দাবি করা হয়েছে সেটা সঠিক বলে দাবি করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ।

এবার আরও বিস্ফোরক দাবি করেছেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দাবি করেছেন আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের মতো কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েলকেও তলব করে জেরা করুক সিবিআই। তিনি আরজির হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়েছেন। এতো বড় ঘটনার পরেও কে নির্যাতিতার পরিবারকে আত্মহত্যার কথা বলেছিল সেটা জানা খুব জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ইতিমধ্যেই সন্দীপ ঘোষকে দফায় দফায় ২ দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করেছেন তদন্তকারীরা। সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার পরে পরিবারকে ৩ ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল। বারবার আত্মহত্যার ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ হিসেবে নির্যাতিতা চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার প্রয়োজন মনে করেননি সন্দীপ ঘোষ। এমনকী পুলিশের পক্ষ থেকও ঘটনাটি বারবার আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতাল নিয়ে মুখ খোলায় শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে শান্তনু সেনকে। তিনি সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় তাঁকে মুখ পত্রের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে শাসক দল। তারপরেই সন্দীপ ঘোষের কীর্তি নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন শান্তনু সেন। আরজি কর হাসপাতালে গিয়ে বিক্ষোভেও সামিল হয়েছেন তিনি। তাঁর মেয়েকেই ডাক্তারি পড়তে গিয়ে আরজি কর হাসপাতালে নানা হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শান্তনু সেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে মেয়েদের রাত দখলের অভিযানের দিনে আরজি কর হাসপাতালে কীভাবে ৬ থেকে ৭ হাজার সশস্ত্র দুষ্কৃতি ঢুকে পড়েছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে পুলিশের কাছে কোনও খবর ছিল না। তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সেদিনের ঘটনায় পুলিশের ব্যর্থতা স্বীকার করে নিয়েছে পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল।












Click it and Unblock the Notifications