RG Kar Hospital: আরজি কর কাণ্ডে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়ে ভুয়ো খবর ছড়ানোর অভিযোগ, কী দাবি করলেন মহুয়া মৈত্র
আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিতা চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যে তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে তা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাতে একাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। এদিকে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র সেকথা মানতে নারাজ।
তিনি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করেছেন নির্যাতিতার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়ে ভুয়ো খবর প্রচার করা হচ্ছে। তেমন কোনও একাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি। একেবারে পয়েন্ট করে করে তিনি উল্লেখ করেছেন সেকথা। মহুয়া মৈত্র এক্স হ্যান্ডেলে দাবি করেছেন, নির্যাতিতার পেলভিস বোন ভাঙেনি। তারপরেও বারবার সেকথা প্রচার করা হচ্ছে।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ আরও দাবি করেছেন যে ১৫০গ্রাম ওজনের তরল নির্যাতিতার গোপনাঙ্গে পাওয়া গিয়েছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে এবং খবর ছড়ানো হচ্ছে সেটাও মিথ্যে। পুরোটাই কল্পনা করে প্রচার করা হচ্ছে। কাজেই এই ঘটনায় যে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে সেকথা ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি। কাজেই ভুয়ো খবর ছড়াবেন না বলে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে ময়নাতদন্তের যে রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে তাতে নির্যাতিতার শরীরে যে বিপুল পরিমাণ আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে তা ভয়ঙ্কর বলে মনে হয়েছে সকলের। এমন ভাবে গলা টেপা হয়েছে নির্যাতিতার গলার হার ভেঙে গিয়েছে। তাঁর গায়ে অসংখ্য কামড় এবং আঁচড়ের দাগ পাওয়া গিয়েছে। এমনকী শ্বাস রোধ করার সময় নির্যাতিতার মুখ যে জোরে চেপে ধরা হয়েছিল সে প্রমাণও মিলেছে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। কোনও একজনের পক্ষে যে এই কাজ করা সম্ভব নয় সেটা ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাদা চোখে দেখলেই স্পষ্ট।
এখনও পর্যন্ত কেবল মাত্র একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নাম সঞ্জয় রায়। তার একটি ইয়ারফোন পাওয়া গিয়েছিল নির্যাতিতার দেহের পাশে। সেই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজে বেশ কয়েকবার তাকে সেমিনার হলে প্রবেশ করতে দেখা গিয়েছিল। সেই থেকেই অনুমান করে সঞ্জয় রায় নামে সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁকে জেরা করে একাধিক অসঙ্গতি পেয়েছে সিবিআই। সেকারণে তার লাই ডিটেক্টর টেস্টের অনুমতি নিয়েছেন তদন্তকারীরা।
মুখ্যমন্ত্রী যেখানে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের কথা বলেছিলেন সেখানে মহুয়া মৈত্র কীভাবে এতোটা হালকা করে পুরো ঘটনাকে দেখছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেই দাবি জানিয়েছেন নির্যাতিতার গোপনাঙ্গে পাওয়া শুক্রাণুর সঙ্গে ধৃত সঞ্জয়ের ডিএনএ পরীক্ষা করা হোক। সেপথে কি সিবিআই হাঁটবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদি আরও অনেকে এই ঘটনায় জড়িত থাকে তাহলে তাদের কি এতোদিন পরে ধরা সম্ভব হবে।












Click it and Unblock the Notifications