হুমকি দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর? আইনি পথে চিকিৎসক সংগঠন
ইমেইল চালাচালি হচ্ছে কেবল। নবান্নের সঙ্গে সমাধান সূত্র মোটেও বেরিয়ে আসছে না। গতকাল রাত রাস্তাতেই কাটাতে হয়েছে আন্দোলনরত জুনিয়ার চিকিৎসকদের। তার মধ্যে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে আক্রমণাত্মক মন্তব্য।
এবার হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছেন চিকিৎসকরা। জুনিয়র চিকিৎসকদের উদ্দেশে হুমকি। কূট মন্তব্য- তৃণমূল নেতা হুমায়ন কবীরের। ভরতপুরের বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনি পথে বেশ কয়েকটি চিকিৎসক সংগঠন। অর্থাৎ চিকিৎসক সংগঠন যে বিষয়টিকে ছেড়ে দিচ্ছে না। মোটামুটি সেটি পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।

গতকাল বুধবার হুমায়ুন কবীর রীতিমতো আক্রমণের মেজাজে ছিলেন। আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তার কড়া বার্তা। " চিকিৎসকরা যদি তাঁদের নিরাপত্তা আর স্বার্থ দেখতে থাকেন, আমরা তো আর চুপচাপ মেনে নেব না৷ আমরা হাত দিলে চিকিৎসকরা কোথায় যাবেন? " মন্তব্য হুমায়ুন কবীরের। বিধায়ক তো সরাসরি হুমকি দিচ্ছেন। এমনই কথা ওয়াকিমহল মহল গতকাল জানিয়েছিল।
" দিনের পর দিন পরিষেবা বন্ধ করলে প্রতিরোধের অধিকার আমাদেরও আছে। পাবলিক মরছে, তাহলে ডাক্তাররা সুরক্ষিত থাকবে কেন? " এই কথা বলেছেন ভরতপুরের বিধায়ক। তাহলে কি আন্দোলনরত চিকিৎসকদের উপর আক্রমণ নেমে আসতে পারে? তাদের উপর হামলা করার কৌশল সাজানো হচ্ছে? সেই প্রশ্ন উসকে যাচ্ছে। এরপরই হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে আইনি পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার নবান্নে বৈঠক ভেস্তে যায়। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের সঙ্গে মেইল চালাচালি হয়। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি মানা হয়নি। সরকার কি কোনও সদিচ্ছা দেখাতে চাইছে না? না কি তাদের দাবি মানার কোনও ইচ্ছে নেই? না কি দাবি মানতে গেলে আরও বিপাকে পড়বে রাজ্য সরকার? এই প্রশ্ন উঠছে।
সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফিরতে বলেছে। তাঁদের নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। রাজ্য সরকার এই বিষয়টি নিয়ে নিজে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। বরং সুপ্রিম কোর্টের দিকে বল ঠেলে দিচ্ছে। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা অংশ। সে কারণেই চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনার কথা বলছে। কিন্তু দাবি মানার ধারকাছ দিয়েও যাচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications