বিক্ষুব্ধ কাঁটার আড়ালে উঁকি দিচ্ছে মন্ত্রীদের গোষ্ঠীবাজি! গোয়েন্দা রিপোর্টে চিন্তায় তৃণমূল
এবার পঞ্চায়েতে মোট আসনের থেকে অনেক বেশি প্রার্থী দিয়েছ শাসক দল তৃণমূল। এই বিক্ষুব্ধ কাঁটা কিছুতেই তুলতে পারছেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
এবার পঞ্চায়েতে মোট আসনের থেকে অনেক বেশি প্রার্থী দিয়েছ শাসক দল তৃণমূল। এই বিক্ষুব্ধ কাঁটা কিছুতেই তুলতে পারছেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মুখে বলছেন, ভোটের আগে দেখবেন, যত আসন তৃণমূলের তত জন প্রার্থীই রয়েছেন। আসলে বড় সংসার হলে এই সামান্য সমস্যা থাকেই!

কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর সেই কথার বাস্তব রূপায়ণ দেখা যাচ্ছে না। বহু জায়গাতেই বিক্ষুব্ধরা প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে চাইছেন না। গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, এর মধ্যে রয়েছে মমতার মন্ত্রিসভার সদস্যেরই হাত। একাধিক জেলায় মন্ত্রীরা নিজেরা নিজেদের হাত শক্ত করতে চাইছেন। তাই তাঁদের অনুগামীদের প্রার্থী করার একটা প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।
কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ সর্বত্রই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ছবিটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে গোয়েন্দা রিপোর্টে। এই রিপোর্টের পর তৃণমূলে আশঙ্কা, এর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে পঞ্চায়েত ভোটে। খারাপ প্রভাব পড়তে পারে দলেও। দল থেকে কড়া পদক্ষেপ নিলে গোঁসা করে অন্যদিল ঘাঁটি গাড়তে পারে বিক্ষুব্ধরা। তাতে গোঁসা বাড়তে পারে মন্ত্রীদেরও।
মোট কথা, এই রিপোর্ট সামনে আসতেই অস্বস্তি বেড়েছে সরকারি দলে। যেমন জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে এক আসনে একাধিক প্রার্থী তৃণমূলের। পুরুলিয়াতেও একই ছবি। একই ছবি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহু কেন্দ্রে। দলের নির্দেশ অমান্য করেই এই বিক্ষুব্ধ প্রার্থীদের হিড়িক পড়েছে। এর পিছনে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রীদেরই হাত রয়েছে, তা এখন গোয়েন্দা রিপোর্টেই প্রকট হয়েছে।
উত্তরবঙ্গে এই সমস্যা বিস্তর। মন্ত্রীদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। যার জেরে জেলার সভাপতিরাই ব্যাকফুটে চলে গিয়েছেন। আবার জেলা সভাপতি যদি মন্ত্রীও হন, তখন বড় মন্ত্রীদের প্রভাবই খাটছে বেশি। এখন মন্ত্রীদের প্রভাব-প্রতিপত্তি নিয়েই প্রার্থীদের রমরমা। সরকারি প্রার্থীরাও তাই বিপাকে। বরং গোঁজ প্রার্থীদেরও পোয়াবারো বহু আসনে।












Click it and Unblock the Notifications