দিলীপ ঘোষকে গ্রেফতারির দাবি তৃণমূলের, নিয়োগ দুর্নীতিতে কীভাবে জড়াল তাঁর নাম

কুণাল ঘোষ বলেন, দিলীপ তো স্বীকার করেছেন তিনি নিয়োগ দুর্নীতির লিঙ্কম্যান ধৃত প্রসন্ন রায়কে চেনেন। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে দিলীপ ঘোষের দলিল। তবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভপতি দিলীপ ঘোষকে কেন গ্রেফতার করা হবে না।

বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষকে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হল তৃণমূল। নিয়োগ দুর্নীতির লিঙ্কম্যান ধৃত প্রসন্ন রায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে দিলীপ ঘোষের বাড়ির দলিল। তা আদালতে পেশ করা সিজার লিস্টে উল্লেখও করা হয়েছে। তাহলে কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না, সে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

দিলীপ ঘোষকে গ্রেফতারির দাবি তৃণমূলের, নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম

কুণাল ঘোষ বলেন, দিলীপ ঘোষ তো স্বীকার করেছেন তিনি নিয়োগ দুর্নীতির লিঙ্কম্যান ধৃত প্রসন্ন রায়কে চেনেন। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে দিলীপ ঘোষের দলিল। তবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষকে কেন গ্রেফতার করা হবে না। এমনকী কুণাল ঘোষ এদিন সিবিআইকেও একহাত নেন। কোনও এক অজ্ঞাত কারণে প্রথমে এই সিজার লিস্ট আদালেত পেশ করা হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। অন্যপক্ষের আইনজীবী বলার পর তা আদালতে পেশ করা হয় তিন-চারদিন পর।

তাঁর অভিযোগ, সিজার লিস্টে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতির নাম রয়েছে, তাই কি সিবিআই সিজার লিস্টা জমা দিচতে বিলম্ব করছিল। এই ঘটনা একাধারে প্রমাণ করল, সিবিআই বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলে। আর বিজেপিকে বাঁচাতে প্রমাণ পেশ করতে বিলম্ব করে। তিনি বলেন, তৃণমূলের বেলায় কথায় কথায় গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাহলে বিজেপির বেলায় কেন গ্রেফতার করা হবে না।

উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় লিঙ্কম্যান প্রসন্ন রায়কে সিবিআই গ্রেফতার করে। এরপর তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু জিনিস সিজ করেন আধিকারিকরা। সেই সিজার লিস্ট আদালতে পেশ করার পর দেখা যায় সিজার লিস্টের আট নম্বরে নাম রয়েছে দিলীপ ঘোষের দলিলের। অর্থাৎ প্রসন্ন রায়ের বাড়ি থেকে দিলীপ ঘোষের নামে একটি দলিল উদ্ধার হয়েছে।

এখন প্রশ্ন কী করে নিয়োগ দুর্নীতির মিডলম্যান, যাঁর মাধ্যমে নিয়োগের জন্য টাকা তোলা হত বলে অভিযোগ এমন একজন ব্যক্তির বাড়িতে দিলীপ ঘোষের দলিল এল? আর কেনই বা সেই দলিল পাওয়ার পর সিবিআই সিজার লিস্ট আদালতে পেশ করতে বিলম্ব করেছিল? তবে কি বিজেপির নাম জড়িয়ে যেতেই সিবিআই তা লুকোতে চেয়েছিল, অভিযোগ করে তৃণমূল।

তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই মর্মে দিলীপ ঘোষকে প্রভাবশালী তকমা দিয়ে গ্রেফতারের দাবি তোলেন। তিনি বলেন, দিলীপ ঘোষ ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি আবার লোকসভার সাংসদ। এছাড়া তিনি প্রাক্তন রাজ্য সভাপতিও। তিনি একজন অতি প্রভাবশালী। তাই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। তৃণমূলের বেলায় যখন সন্দেহ হলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে, বিজেপির ক্ষেত্রে কেন হবে না?

আর দিলীপ ঘোষ বলেন, আমি ইলেকট্রিক সংযোগের জন্য দলিল দিয়েছিলেন প্রসন্ন রায়কে। তাঁকে আমি চিনচতাম। তিনি একই পাড়ায় থাকতেন। তাই তাঁর বাড়ি তেকে আমার বাড়ির দলিল পাওয়া গিয়েছে। আর আমি তো বলছি, আমার বিরুদ্ধে তদন্ত হোক, আমি তো আর কিছু লুকোচ্ছি না। আমার হিম্মত আছে, তাই তদন্তের মুখোমুখি হওয়ার কথা বলছি নিজেই, আর প্রসন্ন রায়কে যে আমি চিনতাম, তাও তো নিজে মুখেই স্বীকার করছি। হিম্মত থাকলে গ্রেফতার করুক। সাফ জবাব দিলীপ ঘোষের।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+