উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসে টার্গেটে খড়গপুর সদর! প্রার্থী করা হতে পারে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে
ঘরের মাঠেই বিজেপিকে পর্যুদস্ত করতে চায়। সেই মতো পরিকল্পনা চলছে তৃণমূলের অন্দরে। ভোটের পাটিগণিতের নিরিখে খড়গপুর সদরে হার নিশ্চিত জেনেও এই আসনেই ঝাঁপিয়ে পড়তে চায় তৃণমূল।
ঘরের মাঠেই বিজেপিকে পর্যুদস্ত করতে চায়। সেই মতো পরিকল্পনা চলছে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে। ভোটের পাটিগণিতের নিরিখে খড়গপুর সদরে হার নিশ্চিত জেনেও এই আসনেই ঝাঁপিয়ে পড়তে চায় তৃণমূল। সেখানে প্রার্থী করা হতে পারে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। যদি সফল হওয়া যায় তাহলে ২০২১-এর নির্বাচনের আগে বিজেপিকে ধাক্কা দেওয়া যাবে বলে মনে করছে তৃণমূল শিবির।

২৫ নভেম্বর উপনির্বাচন
নির্বাচন কমিশন রাজ্যের তিন আসন মালদহের কালিয়াগঞ্জ, নদিয়ার করিমপুর আর পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর আসনে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করে গিয়েছে। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে জুজুধআন দুই পক্ষ তৃণমূল এবং বিজেপি কেউই তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেনি এই তিন আসনের জন্য।

পাটিগণিতে এগিয়ে বিজেপি
একসময়ে খড়গপুর সদর আসনটি কংগ্রেসের দখলে থাকলেও ২০১৬-র নির্বাচনে বিজেপির দিলীপ ঘোষ প্রায় ৪৫ হাজার ভোটে আসনটি দখল করেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে এই আসন থেকে বড় ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন তিনি। তাই ধরেই নেওয়া যায় পাটিগণিতের নিরিখে এই কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।

তৃণমূল প্রার্থী করতে পারে দীনেশ ত্রিবেদিকে
খড়গপুর সদর আসনটি অবাঙালি অধ্যুষিত। দিলীপ ঘোষ জেতার আগে পর্যন্ত সে সিপিআই-এর নারায়ণ চৌবেই হন কিংবা কংগ্রেসে জ্ঞান সিং সোহন পাল, এই আসন থেকে জয়ী হয়ে এসেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই আসনে তৃণমূল এবার কোনও হেভিওয়েট প্রার্থী দাঁড় করাতে চায়। সেই মতো প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদির নাম উঠে এসেছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রীর পছন্দের তালিকাতেও রয়েছে।

ভোট সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে শুভেন্দুকে
সূত্রের খবর অনুযায়ী, দীনেশ ত্রিবেদীকে প্রার্থী করা হলে, ভোট সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে রাজ্যে পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের নেতা হলেও, পশ্চিম মেদিনীপুরে তাঁর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। তাছাড়া নির্বাচনী মেশিনারি পরিচালনায় তাঁর যথেষ্টই সুনাম রয়েছে দলের অন্দরে।

কর্মীদের চাঙ্গা করতে বার্তা
বিরাট ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা আসনে তৃণমূল হারতেই পারে। কিন্তু যদি জিতে যাওয়া যায়, তাহলে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিকে ধাক্কা দেওয়ার পাশাপাশি তৃণমূলের নিচু তলার কর্মীদের বার্তা দেওয়া যাবে, কিংবা চাঙ্গা করে তোলা যাবে, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। একইসঙ্গে কর্মীদের বার্তা দেওয়া যাবে বিজেপিকে একটুকুও জায়গা ছাড়তে রাজি নয় তৃণমূল।












Click it and Unblock the Notifications