হেস্টিংসে পুলিশের সামনেই দলত্যাগী সাংসদকে হেনস্থার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে! হুঁশিয়ারি অর্জুন সিং-এর
ফের বিজেপির ( bjp) হেস্টিংস-এর অফিসে সামনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। এদিন সকালে বর্ধমান পূর্বের দলত্যাগী সাংসদ সুনীল মণ্ডল (sunil mondal) পার্টি অফিসে ঢুকতে গেলে বাধা দেন তৃণমূল কর্মীরা। সেখানে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তা
ফের বিজেপির ( bjp) হেস্টিংস-এর অফিসে সামনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। এদিন সকালে বর্ধমান পূর্বের দলত্যাগী সাংসদ সুনীল মণ্ডল (sunil mondal) পার্টি অফিসে ঢুকতে গেলে বাধা দেন তৃণমূল কর্মীরা। সেখানে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, এদিনমের অশান্তি পরিকল্পিত।

বিজেপি অফিসে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
বিজেপির রাজ্য দফতরে স্থানাভাবের জেরে আগেই তা স্থানান্তরিত হয়েছে হেস্টিংসে। এদিন সেখানেই সংবর্ধনা দেওয়া কথা ১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে অমিত শাহের সভায় যোগ দেওয়া তৃণমূল-সহ অন্য দল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতাদের। সেই তালিকায় রয়েছেন, পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডল এবং শুভেন্দু অধিকারী।

১০০ মিটার দূরে মঞ্চ তৃণমূলের
এদিকে বিজেপির অফিসে যেমন অনুষ্ঠান, ঠিক তেমনই অফিস থেকে ১০০ মিটার দূরেই করা হয়েছে তৃণমূলের মঞ্চ। সেখান থেকে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। সেই মঞ্চের জন্য বাধা একটি মাইক একেবারের বিজেপির অফিসের দিকে তাক করে লাগানো হয়েছে। বিজেপি নেতারা তাদের অফিসের এত কাছে তৃণমূলের কর্মসূচিতে পুলিশের অনুমতি দেওয়া নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।

সুনীল মণ্ডলকে ঢুকতে বাধা
এদিন বিজেপি অফিসে সংবর্ধনার আগে, সেখানে যান পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডল। সেই সময় সেখানে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। তাঁর গাড়ির সামনে শুয়ে পড়ে তৃণমূলের কর্মীরা। পরে আরেকটি গাড়িতে তিনি উঠলেও, সেই গাড়ির সামনেও শুয়ে পড়েন তৃণমূলের কর্মীরা। তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয়। তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। সুনীল মণ্ডলের গাড়ির কাঁচও ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। স্লোগান ও পাল্টা স্লোগানের জেরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ ব্যাপারে সুনীল মণ্ডল বলেন, যাঁরা এসব কাজ করেছে, তাঁরা তাঁর বাড়িতেও গিয়েছিলেন। যাঁরা গাড়ি আটকেছে, তাঁদের দাবি, তাঁদের কথা শুনতে হবে।

বিক্ষোভ স্বতঃস্ফূর্ত, দাবি তৃণমূলের, পাল্টা হুঁশিয়ারি অর্জুনের
তৃণমূলের এদিনের বিক্ষোভকে স্বতঃস্ফূর্ত বলেই দাবি করেছেন, তৃণমূলের মুখপাত্র তথা দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি দাবি করেন, বিক্ষোভের ব্যাপারে দলের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এটা তৃণমূলের কর্মকর্তাদের ক্ষোভ বলেও দাবি করেছেন তিনি। সঙ্গে তিনি বলেন, দলত্যাগ বিরোধী আইন ভঙ্গ করেছেন সুনীল মণ্ডল।
অন্যদিকে তৃণমূলের এই বিক্ষোভকে পরিকল্পিত বলে অভিযোগ করেছেন, বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গণতান্ত্রিক ভাবেই জবাব দেওয়ার কথা। কিন্তু তৃণমূল এমন পরিস্থিতি তৈরি করছে যাতে অগণতান্ত্রিক ভাবেই এর জবাব দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
এপ্রসঙ্গত উল্লেখ্য সম্প্রতি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির জেপি নাড্ডার কলকাতা সফরের সময় তিনি যখন এই পার্টি অফিসেই ঢুকতে গিয়েছিলেন, সেই সময়ও তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications