আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গুরুং-দিলীপ বাক্যালাপ, কী পদক্ষেপ রাজ্যের
পাহাড়ে গিয়ে প্ররোচনামূলক কথাবার্তা বলে উসকানি দেওয়াতেই এই নিগ্রহের ঘটনা। এর দায় সম্পূর্ণ বিজেপিরই। তার উপর লুক আউট নোটিশ থাকা বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে কথা বলে দিলীপ ঘোষ বেআইনি কাজ করেছেন।
পাহাড়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে নিগ্রহের ঘটনার দায় বিজেপির উপরই চাপিয়ে পাল্টা প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিল তৃণমূল। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, বিজেপি রাজ্য সভাপতি পাহাড়ে গিয়ে ন্যক্করজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন। শান্ত পাহাড়কে অযথা অশান্ত করেছেন।
এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, লুক আউট নোটিশ থাকা এক অপরাধীর সঙ্গে বাক্যলাপ করেছেন দিলীপ ঘোষ। এখন দিলীপ ঘোষকেই জিজ্ঞাসা করা উচিত বিমল গুরুং কোথায় রয়েছেন। পাহাড়ে গিয়ে অযথা প্ররোচনামূলক কথাবার্তা বলেছেন। মানুষকে ক্ষিপ্ত করে তুলেছে বিজেপি। তাঁর উপর হামলার ঘটনার দায় তাই বিজেপিরই।

পাহাড়ে গিয়ে দিলীপ ঘোষ ও তাঁর সঙ্গী-সাথীরা বেআইনি কাজ করেছেন। বিজেপির এই প্ররোচনামূলক কর্মসূচির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে তৃণমূল। রাজ্যজুড়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। বিজেপির পাল্টা প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়ে মহাসচিব জানান, শনিবার দুপুর ১টা থেকে শহরজুড়ে প্রতিবাদ মিছিল করা হবে। শ্যামবাজার, হাজরা, গড়িয়া হাট, গড়িয়া, সখেরবাজার, যাদবপুর ও ধর্মতলায় প্রতিবাদ সভা হবে। প্রতিবাদ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে জেলায় জেলায়।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, পাহাড়ে যেভাবে বিমল গুরুং অশান্তি শুরু করেছিল, মুখ্যমন্ত্রীর দৃঢ় পদক্ষেপে পাহাড় শান্ত হয়েছে। সেই শান্ত পাহাড়কে অশান্ত করতেই বিজেপি পাহাড়ে পা দিয়েছিল। সেখানে গিয়ে সেই গুরুংয়ের সঙ্গেই বাক্যালাপ করেছেন দিলীপ ঘোষ। বাংলার উন্নয়নে গতিরোধ করতেই এই ষড়যন্ত্র বিজেপির। দিলীপ ঘোষ, আলুওয়ালিয়ার মতো নেতারা বাজে ভাষা প্রয়োগ করে উসকানি দিয়েছে পাহাড়ে।
পাহাড়ে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে তৃণমূল। বিক্ষোভের নামে ক্ষমতা প্রদর্শনের চেষ্টা করছে বিজেপি। মানুষ তা ভালোভাবে নেবে না। যাঁরা বাংলাকে ভালোবাসে, যাঁরা বাংলার সংস্কৃতিকে ভালোবাসে, তাঁরা বিজেপির এই হীন পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেবেন।












Click it and Unblock the Notifications