যাদবপুরে তৃণমূল ও সিপিএমের পার্টি অফিস অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
ভোটকেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে কেন পার্টি অফিস থাকবে? দুটি পার্টি অফিস অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। কলকাতা হাইকোর্ট এই নির্দেশ দিলেন বৃহস্পতিবার। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের ভোটকেন্দ্রের কাছেই দুটি পার্টি অফিস থাকা নিয়ে মামলা। বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায় এই রায় দিয়েছেন।
আগামী ১ জুন লোকসভার সপ্তম দফার ভোট। শেষ দফায় কলকাতা ও আশপাশের কেন্দ্রগুলিতে ভোট হবে। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রেও ভোট হবে। আর সেই কেন্দ্রের তৃণমূল ও সিপিএমের দুটি পার্টি অফিস নিয়ে কড়া নির্দেশ বিচারপতির।

ওই দুই পার্টি অফিস স্থায়ী নির্মাণ নয়। অস্থায়ী নির্মাণ হলে কেন ওই দুই পার্টি অফিস ভেঙে ফেলা হচ্ছে না? নির্বাচন কমিশন কেন এই পদক্ষেপ করছে না? সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়।
যাদবপুরের দীনবন্ধু অ্যান্ড্রু কলেজে একটি বুথ রয়েছে। অভিযোগ, বুথের পাশেই তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় রয়েছে। সেখান থেকে ভোটে প্রভাবিত করার আশঙ্কা রয়েছে।
মামলায় দাবি, নির্বাচন কমিশনের ২০০৭ সালের নির্দেশিকা অনুযায়ী কোনও বুথের ২০০ মিটারের কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যালয় চলতে পারে না। এক্ষেত্রে ওই নির্দেশিকা মানা হচ্ছে না।
সেখানে শুধু তৃণমূল নয়, সিপিএমেরও একটি দলীয় কার্যালয় রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে ওই কার্যালয়গুলি চলে আসছে। সেগুলি অস্থায়ী নির্মাণ। কলকাতা হাইকোর্টে এদিন নির্বাচন কমিশনের তরফে এই বক্তব্য রাখা হয়। প্রতি বারই ওই দুই দলের কার্যালয় দুটি ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে বন্ধ রাখা হয়। এ বারও কমিশন সেগুলি বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেবে। আদালতে জানানো হয়।
কিন্তু এই কথায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়। সেখানেই প্রশ্ন তুলে আদালত জানতে চায়, অস্থায়ী নির্মাণ হলে কেন ওই পার্টি অফিসগুলি ভেঙে দিচ্ছে না কমিশন। সেক্ষেত্রে কমিশন জানিয়েছে, নির্মাণ ভেঙে ফেলার কাজ জেলাশাসক করতে পারেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, কমিশনের উচিত দ্রুত ওই নির্মাণগুলি ভেঙে ফেলা।
যদিও বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশ, বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে রাজনৈতিক দলের কার্যালয় থাকতে পারে না। অবিলম্বে ওই দুই কার্যালয় বন্ধ করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications