মণ্ডপ জুড়ে সম্মান মণ্ডপ ও মৃৎ শিল্পীদের, অভিনব মণ্ডপ সজ্জা দেখা যাবে এখানে গেলে

মণ্ডপ জুড়ে সম্মান মণ্ডপ ও মৃৎ শিল্পীদের, অভিনব মণ্ডপ সজ্জা দেখা যাবে এখানে গেলে

মা শব্দটির অর্থ অসীম! বা বৃহত্তর স্বার্থে এই শব্দটি জুড়ে রয়েছে সারা পৃথিবী। কারণ, মাকে ধরেই বেড়ে উঠছে এই মানব সভ্যতা। গড়ে উঠেছে একের পর এক ইতিহাস। অথচ কোনও যুগে মা রূপী নারী পায়নি তাঁর প্রাপ্য সম্মান বা মর্য্যাদা। আমরা বাঙালিরা সেই মা রূপী দেবীকে প্রতি বছর আরাধনা করে জানান দিই তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের। এ বছরও তাঁর অন্যথায় হচ্ছে না। ৫২তম বর্ষে শিবতলা অমর সংঘের নিবেদন 'জগজ্জননী'।

কীভাবে সাজছে মণ্ডপ?

কীভাবে সাজছে মণ্ডপ?

এই বিষয়টি তুলে ধরতে সমস্ত মণ্ডপ শিল্পীকে সম্মান জানানো হয়েছে , মণ্ডপ জুড়ে থাকবেন তাঁরা, সম্মান জানানো হয়েছে মৃৎশিল্পী থেকে শুরু করে সমস্ত ধরণের কারিগরদের যারা এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। কীভাবে ? তা দেখতে হলে আসতে হবে খিদিরপুর।

কী বলছেন ক্লাব কর্তারা?

কী বলছেন ক্লাব কর্তারা?

ক্লাব কর্তা বলছেন? "প্রতি বছর হাজারো মায়ের রূপ আমরা দেখি, শারদোৎসবের সময়। কিন্তু এ বারের পুজো কিছুটা হলেও আলাদা আমাদের কাছে। কারণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি। আবহমান সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে আমাদের এই স্বীকৃতি লাভ।"

কী বলছেন শিল্পী?

কী বলছেন শিল্পী?

শিল্পী বলছেন, "মায়ের পুজো পৃথিবীর এই অংশের সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে কয়েক জায়গায় হলেও, তা বিশ্ব মানচিত্রে উঠে আসেনি এতদিন। ‌এ বার ইউনেস্কোর স্বীকৃতি সেই উৎসবকেই নিয়ে এসেছে বিশ্ব মানচিত্রে। তাই সবদিক থেকেই আমাদের এই উৎসব এবার বিশ্বজনীন। তাই এ বার আমাদের নিবেদন জগজ্জননী। সেই মা নিজের আঁচলে সারা বিশ্বকে ছায়া দিয়ে রাখবেন। আমাদের এই থিমে প্রাণ দান করবেন শিল্পী সঞ্জয় দাস। তাঁর ভাবনায় মা হয়ে উঠবেন জগৎ কল্যাণী।"

স্বীকৃতি

স্বীকৃতি

বাংলার বড় উৎসব দুর্গাপুজো। তা বিশ্বের দরবারে অন্যতম সেরা উৎসবের স্বীকৃতি আদায় করে নিয়েছে ইতিমধ্যেই। বাংলার দুর্গাপুজো ঢুকে পড়েছে ইউনেস্কোর ঐতিহ্যের তালিকায়। ইউনেস্কো বাংলার দুর্গাপুজোকে বিশ্ব-স্বীকৃতি দেওয়ায় মহামিছিলের ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১ সেপ্টেম্বর বেলা ২টোয় জোড়াসাঁকো ঠাকুররবাড়ি থেকে মিছিল হয়। ধর্মতলায় শেষ হয় মিছিল। সেখানে মঞ্চে মাটির দুর্গা প্রতিমা নিয়ে সংবর্ধনাজ্ঞাপন করা হয় ইউনেস্কোকে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ১১ দিন ছুটি থাকবে টানা। এছাড়াও কালীপুজোর ছুটি থাকবে। ছুটি থাকবে ছট পুজোরও। এবার মহালয়া পড়েছে ২৫ সেপ্টেম্বর। তারপরই শুরু হয়ে যাচ্ছে দেবীপক্ষ। ৩০ সেপ্টেম্বর পঞ্চমীর দিন থেকে ছুটি পড়ছে পুজোর। ৫ অক্টোবর দশমী। ৫, ৬ ও ৭ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার প্রতিমা বিসর্জন চলবে। জেলায় কার্নিভাল হবে ৭ অক্টোবর। ৮ অক্টোবর কলকাতায় কার্নিভালের পর বিসর্জন হবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+