সঙ্গে কতজন নেতা রয়েছেন, বিজেপিতে যাওয়ার আগে নাম করে জানালেন সব্যসাচী দত্ত
সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নিতে চলেছেন রাজারহাটের বিধায়ক তথা বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত।
সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নিতে চলেছেন রাজারহাটের বিধায়ক তথা বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। তিনি এদিন জানান, বাংলার নেতা, তাই বাংলোতেই যোগদান করছেন। পাশাপাশি সঙ্গে থাকা নেতাদের নামও জানিয়েছেন সব্যসাচী দত্ত।

সব্যসাচী দত্তের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা তৈরি হয়েছিল, লোকসভা ভোটের ঠিক আগে ৯ মার্চ, যেদিন মুকুল রায় গিয়েছিলেন সব্যসাচী দত্তের বাড়ি। সেই সময় থেকেই বিতর্ক তৈরি হয়। এরপরেই শ্রীভূমি ক্লাবে বিধাননগরের কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই সময় সব্যসাচী দত্ত জানিয়েছিলেন দলে কথা মেনে চলবেন তিনি।
লোকসভা ভোটের পর সব্যসাচী দত্ত বিধাননগরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী সুজিত বসুকে নাম না করে আক্রমণ করেছিলেন নিজের বিধানসভা এলাকায় এগিয়ে না থাকতে পারা নিয়ে।
পরবর্তী সময়ে বিদ্যুৎকর্মীদের নিয়ে বিদ্যুৎ ভবন ঘেরায়ের নেতৃত্ব দেন। প্রকাশ্যে বিদ্যুৎমন্ত্রীকে কটাক্ষও করেন তিনি। তবে পদত্যাগ করেই দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন সব্যসাচী দত্ত। উত্তর ২৪ পরগনার প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়ে জলাভূমি ভরাট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এরপর বিজেপির সঙ্গে সব্যসাচী দত্তের সম্পর্ক গাঢ় হয় তাঁর গণেশ পুজোয় বিজেপির সবাপতি দিলীপ ঘোষ এবং মুকুল রায়ের উপস্থিতির পর। আর গণেশ পুজোর প্যান্ডেলও ছিল পদ্মের আদলে তৈরি। তখন থেকেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল কবে আসতে চলেছে সেই সময়।
৩০ সেপ্টেম্বর জল্পনা চরমে পৌঁছয়। পরে ১ অক্টোবর সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসেন সব্যসাচী দত্ত। তিনি জানান কাউন্সিলরদের মধ্যে প্রসেনজিৎ সরদার আর শিবরাম ভাণ্ডারী রয়েছেন তাঁর সঙ্গে। তবে তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা, তা তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার বলেও জানান তিনি।












Click it and Unblock the Notifications