High Court: সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ, জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননায় ডিভিশন বেঞ্চে গেল রাজ্য
এবার জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে গেল রাজ্য সরকার। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই এই আবেদন রাজ্যের। এমনই জানা গিয়েছে। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়েছে। মামলার অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার ঘটনায় জল যে আরও অনেকটাই গড়াবে। এমন আন্দাজ করেছিল ওয়াকিবহাল মহল। আর বুধবার সেই ঘটনাই সামনে এল। এর আগে সিঙ্গেল বেঞ্চে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিলেন বিজেপি বিধায়করা। এবার ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি কীভাবে এগোয়, সেটাই দেখার বিষয়।

১০ জন বিজেপি বিধায়ককে রক্ষাকবচ দিয়েছে সিঙ্গেল বেঞ্চ। পুলিশি তদন্ত এখন স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও কড়া ব্যবস্থা নিতে পারবে না। এমন নির্দেশই দিয়েছিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।
সিঙ্গেল বেঞ্চে কার্যত এই মামলায় মুখ পুড়েছিল রাজ্য সরকারের। জাতীয় সঙ্গীত কে কি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে? সেই প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। জাতীয় সঙ্গীত যে কোনও সময় গাওয়া যায় না। সেই কথাও আদালত বলেছিল। তদন্ত প্রক্রিয়ার উপরেও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সিঙ্গেল বেঞ্চ।
বিক্ষোভ চলার সময় কেন জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়েছিল? সেই প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। বিজেপি বিধায়করা যে জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা করছেন, তার ফুটেজও দেখতে চেয়েছিল আদালত। একটা ক্যামেরার ভিডিও দেখানো হয়েছিল আদালতে। সেই নিয়েও বিচারপতি উষ্মাপ্রকাশ করেছিলেন।
আজ বুধবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করল রাজ্য। বিধানসভায় শীতকালীন অধিবেশনে জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা সংক্রান্ত মামলায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন রাজ্যের আইনজীবী কিশোর দত্ত। প্রধান বিচারপতি মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে। আগামী সপ্তাহে শুনানির সম্ভাবনা।
"দেশকে সম্মান জানানোর জন্য জাতীয় সঙ্গীত ? না কি অপর পক্ষকে ফাঁসানোর জন্য? প্রশ্ন উঠবে।" এমনই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।এই মামলার জন্য আদালতের সময় নষ্ট হচ্ছে বলে আক্ষেপ করেছিলেন বিচারপতি।












Click it and Unblock the Notifications