কোনও নির্মাণই এখন ভাঙা যাবে না, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি ডিভিশন বেঞ্চের
বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। লিলুয়াতে একটি আবাসন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন সাত দিনের মধ্যে। এছাড়াও খড়দহতে একটি ক্লাবঘর ভেঙে ফেলতে হবে। এই নির্দেশও গত ছয় দিন আগে দেওয়া হয়। কিন্তু দুটি নির্দেশের উপরেই স্থগিতাদেশ জারি করা হল। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই স্থগিতাদেশ জারি করেছে।
গত ২৩ নভেম্বর বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার জন্য কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। সাত দিন সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছিলেন বালি পুরসভার নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে। কিন্তু সেই নির্দেশ এখন কার্যকারী হচ্ছে না। ডিভিশন বেঞ্চ ওই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে দুটি মামলার উঠেছিল।

মঙ্গলবার ওই দুটি মামলার শুনানি হয়। ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, এখনই বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে না। ফের বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হবে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা হল। লিলুয়ায় একটি বেআইনি নির্মাণ হয়েছে বলে মামলা হয়েছিল। বাড়ি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা বাড়ি ভাঙতে গিয়েও বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। ফিরে যান তারা।
বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এখনই বাড়ি ভাড়া হবে না। প্রোমোটার, বাড়ির বাসিন্দাদের বক্তব্য শুনতে হবে বালি পুরসভাকে। বক্তব্য শোনার পর পুরসভার আধিকারিকরা ওই জায়গা নতুন করে পরিদর্শন করবেন। তারপরই ওই নির্মাণ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তার আগে কোনওরকম ভাঙার কাজ করা চলবে না।
খড়দহতে একটি ক্লাবঘর নির্মাণ ঘিরেও মামলা উঠেছিল। দানের জমিতে ওই ক্লাবঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এই অভিযোগ উঠেছে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন ওই ক্লাবঘর ভেঙে ফেলতে হবে। সেই নির্দেশের উপরেও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দিয়েছে। খড়দহ পুরসভার থেকে ওই ক্লাবঘর এলাকাটি পরিদর্শন করা হবে। সেটি আদৌ বেআইনি নির্মাণ কী না তা খতিয়ে দেখা হবে। তারপরই সমস্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
বেআইনি নির্মাণ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর নিজের বাড়িতেও বেআইনি নির্মাণ হলে, সেটি ভেঙে দেওয়া হবে। বুলডোজার নিয়ে আসা হবে ভাঙার জন্য। একথা গতদিন জানিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পাঁচ দিনের মাথাতেই সেই দুই রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।












Click it and Unblock the Notifications