Tangra Unnatural Deaths: মেঝেতে পড়ে কাগজ কাটার ছুরি...একাধিক তলায় ছড়িয়ে দেহ! আত্মহত্যা নাকি খুন? বাড়ছে রহস্য
Tangra Unnatural Deaths: কলকাতার বুকে ভয়াবহ হত্যা-কাণ্ড! একই পরিবারের তিন মহিলার রহস্যমৃত্যু। যার মধ্যে একজন নাবালিকা বলে জানা যাচ্ছে। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে ট্যাংরার অতুল শূর রোড এলাকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যে গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। পুলিশ কুকুর আনা হয়েছে। গোটা এলাকা তল্লাশি করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশের বিশেষ হোমিসাইড শাখার সদস্যদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ঘটনার (Tangra Unnatural Deaths) পরেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। একাধিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হচ্ছে। পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, বাড়ির দ্বিতীয় তলায় একজন মহিলার দেহ পাওয়া যায়।

অন্য এক মহিলার দেহ পাওয়া যায় অন্য একটি তলায়। একজনের গলায় ছুরির ডাক, আরেকজনের হাতে শিরা কাটার দাগ পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু কিশোরীর শরীরে কোনও দাগ পাওয়া যায়নি বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
ইতিমধ্যে দেহের পাশ থেকে একটি কাগজ কাটার ছুরি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। কিন্তু সেই ছুরি ব্যবহার করে এভাবে আত্মহত্যা করা সম্ভব নয়। ফলে তাদের কি খুন করা হয়েছে? ক্রমশ জোরাল হচ্ছে একাধিক প্রশ্ন। এখানেই শেষ নয়, প্রশ্ন আরও রয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এদিন সকালে বাইপাসের সামনে একটি গাড়ি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। পিলারে সজোরে ধাক্কা মারে একটি। তাতে গাড়ি থাকা এক কিশোর সহ দুজন গুরুতর আহত হন।
একজনের অবস্থা স্থিতিশীল। মূলত তার কাছ থেকেই পুলিশ আধিকারিকরা জানতে পারেন ট্যাংরা বাড়িতে দেহ পড়ে। পরে তদন্তকারীরা জানতে পারেন মৃত দুই মহিলার দুই স্বামী গাড়িতে দুর্ঘটনা ঘটে। ওই গাড়িতেই ছিল তাঁদের আরেক সন্তানও। দুজনেই সম্পর্কে ভাই। তাঁদের মধ্যে একজনের থেকে পুলিশ আধিকারিকরা জানতে পারেন, দুই মহিলা আত্মহত্যা করেছে। আর্থিক কারণেই আত্মহত্যা বলে দাবি।
যদিও এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাইছেন তদন্তকারীরা। আর তাতেই সামনে আসছে আরও একাধিক প্রশ্ন। যেমন আত্মহত্যা করলে রাতে দুই ভাই কেন গাড়ি নিয়ে বের হলেন? পালানোর চেষ্টা করছিলেন? আর তা করলেই শিশুপুত্রকে কেন সঙ্গে নিলেন তা নিয়েও প্রশ্ন আধিকারিকদের। এখানেই শেষ নয়, ইচ্ছাকৃত ভাবে পিলারে গাড়িটিকে ধাক্কা লাগানো হয়েছে নাকি সত্যিই ঘটনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ফলে ঘটনার একেবারে পরতে পরতে রহস্য!
জানা গিয়েছে, ওই পরিবারের চামড়ার গ্লাভসের ব্যবসা ছিল৷ আত্মঘাতী হয়ে থাকলে তার পিছনে মানসিক অবসাদ নাকি কোনও আর্থিক সমস্যা রয়েছে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications