Tangra Murder Case: ট্যাংরায় ৩ জনকে খুনে পুলিশের জালে বাড়ির ছোট ছেলে, হাসপাতাল থেকে ছুটি পেতেই গ্রেফতার
Tangra Murder Case: ট্যাংরায় ৩ জনকে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ছোট ভাই প্রসূন দে-কে। সোমবার এনআরএস থেকে ছাড়া পাওয়ার পরই প্রসূনকে ট্যাংরা থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। টানা জেরার পর অবশেষে গ্রেফতার করা হয় প্রসূনকে। স্ত্রী, মেয়ে ও বৌদিকে খুনের অভিযোগ। দাদা ও ভাইপো-সহ নিজেকেও শেষ করে ফেলার চেষ্টা। দাদা প্রণয় ও ভাইপো এখনও এনআরএসে চিকিৎসাধীন।
দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদে প্রসূনের বয়ানে অসঙ্গতি মিলেছিল বলে আগেই জানিয়েছিল পুলিশ। পুলিশের কাছে ভেঙে পড়েন প্রসূন। অবশেষে স্বীকারোক্তি করেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, স্ত্রী ও বৌদিকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে হাত ও গলা কেটেছিল প্রসূন নিজেই। এতদিন প্রসূন দাবি করে আসছিলেন যে স্ত্রী বৌদি নিজেরাই হাতের শিরা কেটেছিলেন। কিন্ত জেরায় চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন প্রসূন।

পুলিশ সূত্রে খবর, হাত কেটে তিনজনেকে খুনও করেছিলেন প্রসূন। আর তাঁর এই স্বীকারোক্তি জেরে খুনের কিনারা করছে পুলিশ। হাসপাতালে থাকাকালীনই জেরায় স্ত্রী ও বৌদিকে খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন প্রসূন। হাতের শিরার পাশাপাশি গলার নলিও কাটেন তিনি। বাঁচার চেষ্টা করেছিলেন স্ত্রী, তাই শরীরে আঘাতের চিহ্ন, এমনটাই জানিয়েছেন প্রসূন।
হাসপাতালে জেরার সময় নাবালিকা কন্যাকে খুনের কথা জানায়নি সে। পরে থানায় টানা জেরায় প্রসূন স্বীকার করে, মেয়েকেও বালিশ দিয়ে চাপা দিয়ে খুন করেছিল সে নিজেই। বালিশ চাপা দিয়ে কাকা প্রসূনই তাঁকেও খুন করার চেষ্টা করেছিলেন বলে শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনে জানিয়েছিল বাড়ির বড় ছেলে প্রণয়ের নাবালক পুত্র। মরার ভান করে বেঁচে যায় বলেও জানিয়েছিল সে।
ট্যাংরার অতল শূর লেনে ১৯ ফেব্রুয়ারি দে পরিবারের তিন মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। মৃত দুই গৃহবধূ সুদেষ্ণা ও রোমি। কিশোরী প্রিয়ম্বদার মৃত্যু হয়। খুনের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন মৃত রোমির বাবা। দে পরিবারের সকলে প্রথমে ঘুমের ওষুধ মেশানো পায়েস খেয়েছিলেন বলেও জানা যায় পুলিশ সূত্রে। পরিবারে বেঁচে ছিলেন তিন পুরুষ সদস্য।
এরপর ওইদিনই গভীর রাতে বাইপাসে গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রসূনের সঙ্গে আহত হয়েছিলেন বাড়ির বড় ছেলে প্রণয় ও প্রসূনের ভাইপো (প্রণয়ের নাবালক ছেলে)। আত্মহত্যার উদ্দেশ্যেই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছিলেন বলে দাবি। এনআরএসে ভর্তি থাকার সময় প্রসূনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। স্ত্রী বৌদি ও মেয়েকে গলার নলি ও হাতের শিরা কেটে খুনের কথা কবুল করেন ছোট ভাই প্রসূন।












Click it and Unblock the Notifications