অন্তত ১০০ জন TMC বিধায়ক নিয়োগ দুর্নীতির এজেন্ট! শাহের দেওয়া সময়সীমার আগেই সরকার ফেলার ইঙ্গিত শুভেন্দুর
শুক্রবার সিউড়িতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, বিজেপি যদি লোকসভায় ৩৫ টি আসন পায়, তাহলে ২০২৫-এর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের সরকার পড়ে যাবে। এদিন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা দাবি করলেন, সরকার পড়বে এই বছরের মধ্যেই। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ তৃণমূলের অন্তত ১০০ জন বিধায়ক নিয়োগ দুর্নীতিতে এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন।
একশোজন তৃণমূল বিধায়ক নিয়োগ দুর্নীতিতে এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছে। এদিন ফের একবার এই অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিকেলে বিরোধী দলনেতা বিধাননগরে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সেখানে সাংবাদিককে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, তৃণমূলের থাকার কারণেই তিনি সংখ্যাটা বলতে পারছেন।

শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, এইসব বিধায়করা প্রত্যেকে ন্যূনতম ২০ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২০০ জনকে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তুলেছেন। ১৫, ১৬, ১৮ লক্ষ টাকা তাঁরা তুললেও, সব টাকা পাননি। এর মধ্যে আট থেকে দশ লক্ষ টাকা কালীঘাটে পৌঁছে দিতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। বাকি পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা করে নিজেরা রেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্যের মনো নেতারা জেলে। জীবনকৃষ্ণ সাহা এবং কানাই মণ্ডলের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। অখিল গিরির বিষয়টি হাইকোর্টের দরজার কাছে রয়েছে। তিনি বলেন, উত্তর দিনাজপুরের গৌতম এবং পুরুলিয়ায় সুশান্ত নামে তৃণমূলের বিধায়কদের মতো আরও অনেকেই এজেন্টের কাজ করেছে।
বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেছে্ন, এইসব বিধায়করা নিজেদের পরিবারের লোকেদের চাকরি দিয়েছে এবং চাকরি বিক্রি করেছে। তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি যে দিকে যাচ্ছে, তাতে আগামী ছয় থেকে আটমাসের মধ্যে বিধানসভায় তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা হয়তো একশোতে নেমে যাবে। তিনি তৃণমূল বিধায়ক কানাই মণ্ডল কেন ভয় পাচ্ছেন তা নিয়ে প্রশ্ন করেন।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি শুরু হলেই তৃণমূলের বিধায়কদের নাম সামনে আসবে বলেও মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি স্বৈরাচারী বলে আক্রমণ করা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে তীব্র কটাক্ষ করেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বিজেপির দেশের পনেরোটি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে। সহযোগীদের নিয়ে ক্ষমতায় আরও চারটি রাজ্যে। মোট উনিশটি রাজ্যে বিজেপি যেভাবে স্বচ্ছ্ব প্রশাসন দিতে পেরেছে, ঠিক একইভাবে পশ্চিমবঙ্গে ডাবল ইঞ্জিন সরকারও সেটাই দেবে, দাবি করেছেন তিনি।
দুর্নীতিতে শুভেন্দু অধিকারীও যুক্ত, তৃণমূলের অভিযোগের উত্তরে বিরোধী দলনেতা বলেছেন, তাঁর নাম তো নিতেই হবে। এব্যাপারের তিনি নন্দীগ্রাম থেকে ১৯৫৬ ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেরে যাওয়ার কথা তুলে ধরেন।












Click it and Unblock the Notifications