Suvendu Adhikari: "খুনি মমতা! মুর্শিদাবাদের ঘটনার জন্য একমাত্র দায়ী," NIA তদন্ত চেয়ে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari: মুর্শিদাবাদের হিংসার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর অবিলম্বে ইস্তফা দেওয়া উচিত বলে আক্রমণ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। মুখ্যমন্ত্রীকে এবার জেলে দেখতে চান বলেও দাবি শুভেন্দুর। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের অশান্তির জন্য দায়ী একমাত্র মমতা, NIA তদন্ত করে সব খুঁজে বের করবে। মমতাকে 'খুনি' বলে আক্রমণ শানিয়ে ফের একবার ইউনূসের সঙ্গে তুলনা করলেন বিরোধী দলনেতা।
কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশের ভিডিও বাংলার বলে দেখানো হচ্ছে বলে নেতাজি ইন্ডোরে ইমামদের সঙ্গে সভায় অভিযোগ তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "মিথ্যেবাদী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এগুলো কোন রাজ্যের ভিডিও? ঘরের মধ্যে ঢুকে নিরীহ হিন্দু বাবা ও ছেলেকে খুন করা হয়েছে। আপনার মেহবুব আলম, আপনার ধুলিয়ানের চেয়ারম্যান, আপনার সামশেরগঞ্জের এমএলএ, আপনার ফারাক্কার এমএলএ-র দাদা, এরা সবাই এই খুনের নায়ক।"

মুর্শিদাবাদে বিএসএফও গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন মমতা। পাল্টা মুর্শিদাবাদের হিংসা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেও আক্রমণ শুভেন্দুর। তিনি বলেন, "হিংসার সময় পুলিশ কোথায় ছিল? পুলিশ লুকিয়ে পড়েছিল। হাত পা ধরে বিএসএফকে এনেছে। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য চালাতে ব্যর্থ। আমরা এনআইএ চাই। মমতার বক্তব্যেই প্রমাণিত কীভাবে হামলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই আমরা।"
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশ মন্ত্রী হিসেবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ বলে উল্লেখ করেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বিভাজনের রাজনীতি করছেন, অভিযোগ করে বিরোধী দলনেতা বলেন, "আইনশৃঙ্খলায় বিপর্যয় নেমে এসেছে। উনি বলছেন এরাজ্যে নাকি সবাই মিছিল করতে পারে। অথচ বিরোধী দলনেতাকেই ৮২ বার হাইকোর্টে যেতে হয়েছে।"
রাজ্যের হিন্দুদের প্রতি শুভেন্দুর বার্তা, "গোটা রাজ্যের হিন্দুদের বলব মোমবাতি মিছিল শহিদ বেদী করুন। চোখের জলের শপথ নিন। এই সরকারকে ফেলে দোষীদের জেলে পাঠাবেন। গোটা বাংলার হিন্দুরা এই মুহূর্তে অস্তিত্বের জন্য লড়াই করছেন। যাহা ইউনূস, তাহাই মমতা। খুনি মমতা।"
এদিকে ধুলিয়ান যেতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশ তাঁকে অনুমতি দিচ্ছে না বলে অভিযোগ। বুধবার বিকেলে মামলার শুনানি রয়েছে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে। এপ্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, "হিন্দুরা যেখানে আক্রান্ত হবেন সেখানে যাব। মোথাবাড়িতেও গেছি। ২০২১ থেকে আজ পর্যন্ত এমন কোথাও জায়গা নেই যেখানে যাইনি, এখানেও যাবো। আমরা কেউ বসে নেই। রাজ্যপাল মহোদয়ের নির্দেশে রেড ক্রসের সদস্যরা সেখানে গিয়েছেন। একইসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবকরাও গিয়েছেন। বিচারপতি অমৃতা সিনহার কাছে অনুমতি নিতে অনেক এনজিও গিয়েছে।"












Click it and Unblock the Notifications