কিছুক্ষণের জন্য থানার নিয়ন্ত্রণ ছিল না! মোমিনপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর দাবিতে শাহকে চিঠি শুভেন্দুর
দক্ষিণ কলকাতার মোমিনপুরে অশান্তি নিয়ে রাজ্যপাল এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনেরও দাবি করেছেন। অন্যদিকে এদিনই ঘটনাস্থল পরিদর্শ
দক্ষিণ কলকাতার মোমিনপুরে অশান্তি নিয়ে রাজ্যপাল এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনেরও দাবি করেছেন। অন্যদিকে এদিনই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। প্রসঙ্গত রবিবার ভোরের দিকে সেখানে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
|
রবিবার ছবি টুইট করে ভাঙচুরের অভিযোগ সুকান্তর
রবিবার সকাল থেকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় মোমিনপুরের ভিডিও বলে রাস্তায় পড়ে থাকা বাইক, কাঁচ ভাঙা গাড়ির ছবি শেয়ার করা হয়, মুহুর্তে তা ভাইরালও হয়ে যায়। আৎ বিকেলে একটি ভিডিও টুইট করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, মোমিনপুরের ময়লা ডিপোর কাছে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনের সময় হিন্দুদের দোকান ও বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসন এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর আরও অভিযোগ ছিল, অভিযুক্তরা এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। যগি এই সংক্রান্ত কোনও ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করে দেখেনি বেঙ্গলি ওয়ান ইন্ডিয়া।
|
রাজ্যপাল ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর
রবিবার রাতে বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের রাজ্যপাল লা গণেশন এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লেখেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই চিঠি তিনি একবালপুর থানার অধীনে মোমিনপুরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি করেন। চিঠিতে তিনি বলেন, পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ার আগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
|
কিছুক্ষণের জন্য একবালপুর থানার ওপরে নিয়ন্ত্রণ ছিল না
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অপর একটি ভিডিও শেয়ার করে বলেছেন, একবালপুর থানা নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছিল দুষ্কৃতীদের হাতে। কিছুক্ষণের জন্য এই থানার নিয়ন্ত্রণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের হাতে ছিল না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মুখ্যসচিব কিংবা কলকাতার পুলিশ কমিশনার উপযুক্ত নন। সেই কারণে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি করেন তিনি।

ঘটনার পিছনে কারা
টুইটারে সৈয়দ ইস্তিয়াক আলম নামে এর ব্যক্তি রাতে মোমিনপুরের একটি ভিডিও টুইট করার পাশাপাশি বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, ফিনিক্স গ্রুপের কর্নধার গুলাম আসরফ, তৃণমূল কাউন্সিলর সামফ ইকবালের জামাই রেহান খান এবং রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কাছের বলে পরিচিত শাহবাজ আলম মোমিনপুরের গোষ্ঠী সংঘর্ষের পিছনে রয়েছে। কিন্তু এলাকারা সাধারণ মানুষ শান্তি চান।
|
সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন সুকান্ত মজুমদার
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সোমবার একবালপুর থানার অধীনে খিদিরপুরে এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বলে জানা গিয়েছে। রবিবার সেখানে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।












Click it and Unblock the Notifications