Suvendu Adhikari: হাতে অস্ত্র তুলে দিতেই হবে, ফের বললেন শুভেন্দু, গরু-ছাগলও কিনে দেওয়ার আশ্বাস
Suvendu Adhikari: শুধু ছবি তুলে ইন্টারনেটে দিলেই হবে না, অ্যাকশন চাই অ্যাকশন। সাংবিধানিক কমিটিগুলি মুর্শিদাবাদ ও মালদহ পরিদর্শন করার পর এ কথাই বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী সরে গেলেই আর রেহাই মিলবে না। অবিলম্বে NIA তদন্ত প্রয়োজন বলে আরও একবার উল্লেখ করলেন তিনি।
এদিন তিনি বলেন, লাইসেন্স প্রাপ্ত অস্ত্র তুলে দেওয়া হোক সীমান্তবর্তী এলাকার লোকজনের হাতে, তবেই তাঁরা বাঁচবে। মুর্শিদাবাদে যা কিছু ভেঙে ফেলা হয়েছে, সেগুলি সরকারের টাকা ছাড়াই তৈরি করে দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি (Suvendu Adhikari) ।

মুর্শিদাবাদের পরিস্থিতি এদিন আফগানিস্তানের সঙ্গে তুলনা করতেও শোনা যায় তাঁকে। বিজেপিকে কেন এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন শুভেন্দু। মূলত ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদের নামে রীতিমতো তাণ্ডব চলেছে মুর্শিদাবাদে। বাড়ির পর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু দাবি, লড়াইটা সাংবিধানিক লড়াইয়ের উর্ধ্বে চলে গিয়েছে।
শুক্রবার ও শনিবার এলাকা পরিদর্শন করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও জাতীয় মহিলা কমিশন। এরপরই অ্যাকশনের দাবি জানালেন শুভেন্দু। এদিন কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু বলেন, ২০২৬-এ যদি রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠিত হয়, তাহলে ওই দৃষ্কৃতকারীদের উপর দিয়ে বুলডোজার চালানো হবে। তিনি আরও বলেন, ওরা যা যা চুরি করে নিয়ে গিয়েছে, সুদ সমেত সেটা আমরা তুলে নেব।
শুভেন্দু এদিন আরও বলেন, আমি খিদিরপুর,একবালপুর থেকে হাওড়ার শিবপুর পর্যন্ত ঠাণ্ডা করেছি। এবার মোথাবাড়িও ঠাণ্ডা করব। মুর্শিদাবাদও তিনি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন বলে দাবি শুভেন্দুর। তাঁর উপর ভরসা রাখতে বলেছেন সাধারণ মানুষকে। মুর্শিদাবাদের আক্রান্ত মানুষকে শুভেন্দুর বার্তা, গরু ছাগল যা গিয়েছে, তার থেকে বেশি কিনে দেওয়া হবে।
কেন্দ্রীয় কমিশনগুলির কাছেও আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরা স্থায়ী বিএসএফ ক্য়াম্পের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিএসএফ ক্য়াম্প না হলে তাঁদের পক্ষে বাঁচা সম্ভব হবে না। শুভেন্দুও এদিন একই কথা বলেন। বলে রাখা প্রয়োজন, মুর্শিদাবাদের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এদিন বিজেপির যুব মোর্চার তরফে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। এলগিন রোডে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাড়ির সামনে থেকে মিছিল শুরু হয়।
বিজেপি যুব মোর্চার দক্ষিণ কলকাতা সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন ওই মিছিলে। সজল ঘোষ, মীনাদেবী পুরোহিত, তাপস রায়েরাও মিছিলে ছিলেন। অন্যদিকে দমদমেও একটি মিছিল বের হয়। সেখানে ছিলেন দিলীপ ঘোষ।












Click it and Unblock the Notifications