শিক্ষায় দুর্নীতির দাগ তুলতে পরিকল্পনা! আমন্ত্রণ পেয়েও 'হাতে খড়ি'তে না থাকা নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী

রাজ্যপালের হাতে খড়ি অনুষ্ঠানে রাজভবনে যাচ্ছেন না শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার হাতে খড়ি অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শিক্ষায় দুর্নীতির ইস্যু চাপা দিতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

রাজভবনে রাজ্যপালের হাতে খড়ি অনুষ্ঠান। আমন্ত্রণ পেয়েও সেখানে যাচ্ছেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে না যাওয়ার কারণ জানিয়ে টুইট করেছেন তিনি।

সেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন, রাজ্যপালের ভালমানুষিকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে এই সরকার।

রাজ্যপালের সিদ্ধান্তের প্রশংসা

রাজ্যপালের সিদ্ধান্তের প্রশংসা

টুইটে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বাংলা শেখার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, উচ্চ শিক্ষিত প্রকৃত দেশপ্রেমিক, কর্মজীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। তিনি একাধিক ভাষায় অনেক বইও লিখেছেন। বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারও তিনি পেয়েছেন। এহেন ব্যক্তির বাংলা ভাষা শিক্ষার ইচ্ছা প্রশংসনীয়।

অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার

বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেছেন, রাজ্যপালের হাতে খড়ির ইচ্ছাকে রাজ্য সরকার সুচতুর ভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করতে দ্বিধাবোধ করেনিষ রাজ্যপালের প্রধান সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এব্যাপারে রাজ্য সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনিই রাজ্যপালের ইচ্ছাপূরণের অছিলায় মুখ্যমন্ত্রীর গোপন রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডাকে কার্যকর করার উদ্দেশে রাজ্যপালের কার্যালয়কে সুচতুর ভাবে ব্যবহার করেছেন।

শিক্ষা ব্যবস্থার কর্তা ব্যক্তিরা কারাগারে

শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, অনুষ্ঠানটি এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যেসময় পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার কর্তা ব্যক্তিরা কারাগারে বন্দি। তিনি আরও বলেছেন, যে সরকারের শিক্ষার কারবারিরা কারাগার, সেই সরকারের এই অনুষ্ঠান তাদের গায়ে লেগে যাওয়া দাগ তোলার পরিকল্পনা। সেই কারণে তিনি (শুভেন্দু) মনে করেন, দুর্নীতগ্রস্ত সরকারের এই অনুষ্ঠান রাজভবনের মর্যাদার পাশাপাশি রাজ্যপালের পদমর্যাদার গরিমাকে বৃদ্ধি করবে না।

কেন অনুষ্ঠানে থাকছেন না

কেন অনুষ্ঠানে থাকছেন না

এদিনের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রায়ই রাজভবন ও রাজ্যপালের প্রতি অযৌক্তিক এবং অসম্মানজনক মতামত প্রকাশ করেছেন বারে বারে। তিনি (মমতা) রাজ্যপালের পদ বিলুপ্ত করার কথাও বলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের পদ থেকে রাজ্যপালকে সরিয়ে দিয়ে সেই পদে নিজে আসীন হওয়ার চেষ্টাও করেছেন। সেই মুখ্যমন্ত্রীর নাকের ডগায় দুর্নীতি হয়েছে, আত তিনি কিছুই টের পাননি, এই দাবি অবিশ্বাস্য এবং হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলনেতা। আজও হাজারো মেধাবি বেকার পথে বসে রয়েছে বলে জানিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেছেন, বাংলার পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করতে অযোগ্যপ্রার্থীদের টাকার বস্তার বিনিময়ে শিক্ষকের চাকরি দেওয়া হয়েছে।
শেষে তিনি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের করদাতাদের টাকা খরচ করে এমন অনুপযুক্ত ও হাস্যকর পরিস্থিতির সাক্ষী তিনি হতে পারবেন না, তাই তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া থেকে বিরত থাকছেন বলে জানিয়েছেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+